ব্লগার বিশেষজ্ঞ হয়ে যান, ব্লগার টিউটোরিয়াল: আদ্যোপান্ত (পর্ব-১; ব্লগের ইতিহাস এবং ব্লগার শুরু)

Blogger বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ফ্রী ব্লগিং প্লাটফর্ম। টেক জায়ান্ট Google এর একটি সেবা হল Blogger। ফ্রী অনলাইন ব্লগ তৈরির জন্য...

Very Recent Posts

শনিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৭

রিভিউ : iOS 11; যে দশটি বিষয় আপনাকে বিবেচনা করতেই হবে

রিভিউ : iOS 11; যে দশটি বিষয় আপনাকে বিবেচনা করতেই হবে

OS 11 এখন এভেলেবল। অফসিয়ালি গত কয়েক বছরে তৈরী সকল আইফোন এবং আইপ্যাড এর জন্যে iOS 11 রিলিজ করা হয়েছে। আপনি একজন এপল পন্য ব্যবহারকারী হলে সম্ভাবনা হল আপনি আপনার OS আপগ্রেড করছেন। যদি আপনি ইতিমধ্যেই তা করে থাকেন তাহলে আপনি অবশ্যই আগের iOS এর চেয়ে iOS 11 এ বেশ কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করেছেন। যদিও কিছুটা পরিবর্তন করা হয়েছে কিন্তু নতুন iOS আর আগের iOS এর ব্যবহার অভিজ্ঞতা এক রকমই হবে, আপনি কিছুদিন ব্যবহার করলে নিজেও সেটা বুঝতে পারবেন। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, কন্ট্রোল সেন্টার ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত কিন্তু নোটিফিকেশন হালকা একটু পরিবর্তিত কিন্তু আগের মতই হোমস্ক্রীন এপগুলোর কমফোর্টেবল গ্রিড পাবেন। অর্থাৎ, নতুন অনেক কিছুই কিন্তু অপরিচিত কিছুই নয়।

iPad এর গল্পটা একদমই ভিন্ন। এপ ম্যানেজমেন্ট এবং এপ সম্পর্কিত সবচেয়ে ইউনিক বা মৌলিক পরিবর্তন এপল করেছে এই iPad এ। এপল এখানে এপ ডক(App Dock) নামে একটি ফিচারের পরিচয় করিয়ে দিয়েছে যার মাধ্যমে iPad এর যেখানেই, যে অবস্থায়, যাই করতে থাকুন না কেন শুধুমাত্র উপরের দিকে সোয়াইপ করে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এপগুলো বের করতে পারবেন অনেক বেশি দ্রুত। একই সাথে মাল্টিটাস্কিং এর কাজ করার ধরণেও পরিবর্তন দেখা যায় iPad এ। যার ফলে স্প্লিট স্ক্রীণ এপ পরিচালনা আরো বেশি ফ্লেক্সিবল হয়েছে।

চলুন দেখে নেই iOS 11 এ আপগ্রেড করার পর আপনাকে যে ১০টি বিষয় এর প্রতি আপনাকে দৃষ্টি দিতেই হবে;

কন্ট্রোল সেন্টার কাস্টমাইজ করা

সম্পূর্ণ নতুন iOS 11 এ সর্বপ্রথম যে বিষয়টি আপনাকে নাড়াচাড়া করে দেখতে হবে তা হল কন্ট্রোল সেন্টার(Control Center)। এটাকে সম্পূর্ণ নতুনভাবে এমনকরে ডিজাইজ করা হয়েছে যে একাধিক সোয়াইপেবল স্ক্রীণের বদলে এক স্ক্রীণের মাঝেই সম্পূর্ণ কন্ট্রোল প্যানেল বলতে গেলে এঁটে যায় বা একটি স্ক্রীণের মাঝেই সম্পূর্ণ কন্ট্রোল প্যানেলের সংস্থান হয়।

ফ্ল্যাশলাইটের উপর ফোর্স টাচ করলে একটি প্যানেল ওপেন হয় যেখান থেকে ফ্ল্যাশলাইটের তীব্রতা নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব। নেটওয়ার্কিং প্যানেল ফোর্স টাচ করে ওয়্যারলেস রেডিও এবং হটস্পট টগল করার বাটন ওপেন করা যায়। একটি সুন্দর ব্যবস্থা হল, এয়ারপ্লেন মোড চালু করার পর যদি ব্লুটুথ চালু করেন তাহলে এই টগলটা সেখানে থেকে যায় ফলে পরবর্তীতে যখন এয়ারপ্লেন মোড চালু করবেন তখন আপনার ব্লুটুথ হেডফোন ডিসকানেক্ট হবে না।

প্রথমবারের মত এপল সেটিংস এ এমন কাস্টমাইজ করার ব্যবস্থা প্রদান করছে যেখানে আপনি ইচ্ছা করলে কন্ট্রোল প্যানেলে কোন বাটন থাকবে বা কোন বাটন থাকবে না সেটা ঠিক করে দিতে পারবেন। এবং আপনার ইচ্ছামত ক্রমে সাজিয়েও নিতে পারবেন। সবসময়ের মত এপল কোন থার্ড পার্টি ডেভেলাপারদের কোন কিছু এখানে ব্যবহার করার কোন সুযোগ দিচ্ছে না।

আপনাকে সন্তুষ্ট করার মত বেশ কিছু কন্ট্রোল প্যনেল ফিচার রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, Apple Tv Remote এর জন্য কুইক এক্সেস রয়েছে; লক স্ক্রীণের জন্য কন্ট্রোল প্যানেল অন করে রাখলে এটা আসল রিমোটের চেয়েও বেশি কার্যকর হতে পারে। স্ক্রীণ রেকর্ডিং ফিচারটিও বেশ উন্নত। আপনি স্ক্রীণে যাই করতে থাকেন না কেন স্ক্রীণ রেকর্ডিং খুব নিখুঁতভাবে এর ভিডিও করে রাখতে সক্ষম। টেক রিভিউ এবং টেক সাপোর্টের জন্য এই ফিচারটা বেশ কার্যকর তা ছাড়াও এটি গেমপ্লে ভিডিও রেকর্ড করা সহ বেশ কিছু কাজে ব্যবহার করা সম্ভব।

যদিও এপল Wifi নেটওয়ার্ক সিলেকশনের জন্য কোন কুইক এক্সেস স্ক্রীণের কোথাও নেই। Wifi নেটওয়ার্ক সিলেক্ট করার জন্য বা চেঞ্জ করার জন্য আপনাকে সেটিংস এ যেতেই হবে। ব্লুটুথ এর ব্যাপারটা সহজ হলেও লোকেশন অন করাও WIfi এর মত ঝামেলার।


নোটিফিকেশন কিভাবে কাজ করে

এক্ষেত্রে এপল কিছুটা অলসতা দেখিয়েছে। নোটিফিকেশনগুলি খুব দ্রুত স্ক্রীণে আসে এবং নোটিফিকেশন আসার সময় যে সাউন্ড হয় সেটা আহামরি কিছু নয়। iOS 11 এর নোটিফিকেশন সিস্টেম অনেককেই হতাশ করবে। একটা ছোট X বাটনে ক্লিক করে আপনি সমস্ত নোটিফিকেশন সরিয়ে দিতে পারবেন।

যদিও এখন এপল নোটিফিকেশন সোয়াইপ করে সরিয়ে ফেলার এবং একসাথে সব সরিয়ে ফেলার জন্যও ব্যবস্থা রেখেছে কিন্তু এন্ড্রয়েডের মত উন্নত নোটিফিকেশন সিস্টেমের অনেক কিছুই উপেক্ষা করেছে। যেমন একই এপ এর নোটিফিকেশনগুলি গ্রুপ করে একসাথে রাখা কিংবা বেশি গুরুত্বপূর্ণ নোটিফিকেশন সবার উপরে রাখা।

iOS 11 এর নোটিফিকেশনের সবচেয়ে ভাল দিক হল উপর থেকে যে শেডটা আপনি টেনে নামাবেন সেটা লক স্ক্রীণের মত একই। দেখতে এবং কাজের ক্ষেত্রে একই রকম। আরো নিচের দিকে সোয়াইপ করে ক্যামেরা এবং উইজেট স্ক্রীণে যেতে পারবেন।

iPhone X এ iOS 11 এর একটি বিশেষ ফিচার দেখতে পাওয়া যায়। ডিফল্টলি লক স্ক্রীণে আপনার নোটিফিকেশনগুলি হাইড হয়ে থাকবে শুধুমাত্র iPhone X এ। এবং ফেস রিকগনিশন এর মাধ্যমে আপনার মুখ চিহ্নিত হলে নোটিফিকেশন আনহাইড হয়ে যাবে।


ফাইলস এপ 

এরপর আপনি যেটা দেখতে পারেন সেটা হল iOS 11 এর ফাইলস এপ(Files App)। এককথায় অসাধারণ। iCloud Ecosystem এ যদি আপনি সংযুক্ত থাকেন তাহলে আপনার অন্যান্য ডিভাইসে সেভ করা সমস্ত ফাইল আপনি এখানে দেখতে পাবেন এমনকি আপনার ম্যাক ডেস্কটপ এর ফাইল এবং ডকুমেন্টস ও এখানে পাবেন।

আগের থেকে যদিও পরিবর্তিত কিছু মনে হচ্ছে না কিন্তু এখানে এপল নতুনত্ব এনেছে। প্রথমবারের মত আপনাকে থার্ড পার্টি স্টোরেজ এপস(Box, Dropbox, Google Drive, Onedrive) ব্যবহারের পূর্ণ স্বাধীনতা এবং সক্ষমতা দিয়েছে। ফাইলস এপের সাথে যদিও এই এপগুলোর লিংক খুবই কম তবে সময়ের সাথে এটা আরো ভালো হয়ে উঠবে আশা করাই যায়।


ড্র্যাগ এন্ড ড্রপ কিভাবে কাজ করে

আইফোনে শুধুমাত্র দুটি জায়গায় আপনি ড্র্যাগ এন্ড ড্রপ করতে পারেন। তার একটি হল হোম স্ক্রীণ; এটা খুবই ভালো একটি ফিচার। যখন আপনি ফোর্স টাচ না করে কোন একটি এপ অনেক্ষণ ধরে টাচ করে রাখেন বা লং-প্রেস করেন জিগলি মোডে যাবার একটি আইকন দেখা যাবে, এখন আপনি আগের মতই আইকনকে ইচ্ছামত ড্র্যাগ করতে পারেন। দ্বিতীয় জায়গা যেখানে আপনি ড্র্যাগ এন্ড ড্রপ করতে পারেন তা হল ফাইলস এপ(Files App)। এখানে আপনি একাধিক ফাইলস একসাথে মুভ করতে পারেন। দুর্ভাগ্যবশত আপনি যদি হোম বাটনে চাপ লাগান তাহলে সব শেষ। আর ড্র্যাগ বা ড্রপ করতে পারবেন না।

যদিও iPad এ ড্র্যাগ এন্ড ড্রপের বেশ অনেক সুবিধা আছে কিন্তু আইফোনে তা নেই।


আইপ্যাডে মাল্টিটাস্কিং

আইফোনে মাল্টিটাস্কিং বলতে গেলে আগের মতই আছে। কিন্রু আইপ্যাডে মাল্টিটাস্কিং প্রায় বৈপ্লবিকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। এত বছর ধরে যারা আইপ্যাডে বাস্তব কাজ করার চেষ্টা করেছে তাদের জন্য এটা খুবই ভাল পরিবর্তন।

আগের মতই স্প্লিট স্ক্রীণ ব্যবহার করতে পারবেন। তবে Skinny এপকে দুইপাশে সেট করার ক্ষেত্রে আপনি বেশি স্বাধীনতা পাবেন। যখন আপনি স্প্লিট স্ক্রীণ করেন তখন এপ দুটি পেয়ারড হয়ে যায় ফলে মাল্টিটাস্কিং ভিউ এ এপ দুটি রান করে।

এখন আপনি ইচ্ছা করলে তৃতীয় এপ ব্যবহার করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনাকে অন্য যেকোন একটি এপের উপর Slide Over হিসেবে তৃতীয় এপ ওপেন করতে পারবেন। আবার ইচ্ছা করলে উইন্ডো এরুপর একটি হ্যান্ডেল টেনে নিয়ে এসে স্লাইড ওভার এপকে পূর্ণাঙ্গ স্প্লিট স্ক্রীন এপে পরিবর্তিত করতে পারবেন। এটা অনেকটা ম্যাকে পাওয়া উইন্ডো সিস্টেমের মত।


স্ক্রীণশট তুলুন

বিগত কয়েক বছরে স্ক্রীনশট তুলার ব্যাপারটি ট্রেন্ড এবং বলতে গেলে ক্রেজে পরিণত হয়েছে। মানুষের চাহিদার কথা মাথায় রেখে এপল নতুন iOS 11 এ স্ক্রীণশটের ধারণা নিয়ে বেশ অনেক কাজ করেছে।

এখন আপনি যখন কোন স্ক্রীণশট তুলেন তখন বামদিকে নিচে একটা ছোট থাম্বনেইল ওপেন হয়। এখান থেকে সোয়াইপ করে স্ক্রীণশটটি সেভ করা যাবে আবার এটার উপর ট্যাপ করলে ছোট একটা এপ ওপেন হবে এখান থেকে স্ক্রীনশটটিকে আপনি ক্রপ করতে, এনোটেশন যুক্ত করতে, পেন্সিল বা পেন টুলের সাহায্যে কোন কিছুর উপর কোণ মার্ক করা বা কোন কিছু অঙ্কণ করতেও পারবেন।


লাইভ ছবি চালু করুন

আপনি যদি আগে লাইভ ফটো অপশন বন্ধ করে দিয়ে থাকেন কারণ এটা চালু রাখার কোন কারণ ছিল না তাহলে এখন চালু করে নিন লাইভ ফটো অপশন।

কিন্তু মূলত লাইভ ছবিকে নতুন লুক দিতে এপল নিয়ে এসেহে নতুন প্রযুক্তি। যখন কোন ইমেজের উপর ফোর্স প্রেস করে লাইভ ফটো অপশন চালু করবেন তখন লাইভ ফটো তৈরী করার সময় যে ছোট ভিডিও তৈরী হয়েছে সেটা দেখতে পারবেন। এই ভিডিও দিয়ে লাইভ ফটোতে বেশ কিছু এডিটিং এর কাজ করতে পারবেন। বাউন্স ব্যাক, লুপ, থ্রু টাইম, লং এক্সপোজার এর মত কাজ করতে পারবেন এই ভিডিও এর সাহায্যে।

আর আপনি যদি নতুন কোন আইফোন ব্যহবহারকারী হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই Portrait Lighting ফিচারটি ব্যবহার করতে ভুলবেন না।


নতুন ডিজাইন শুধুই দেখতে পারেন

আপনি হয়ত এটাই করছেন। 






























































































ব্লু হোয়েল চ্যালেঞ্জ- আসলে কি? নিশ্চিত মৃত্যুফাঁদ? নাকি আছে অন্যগল্প? আপনি কি ব্লু হোয়েলের থাবা থেকে নিরাপদ? (ব্লু হোয়েলের আদ্যোপান্ত)

ব্লু হোয়েল চ্যালেঞ্জ- আসলে কি? নিশ্চিত মৃত্যুফাঁদ? নাকি আছে অন্যগল্প? আপনি কি ব্লু হোয়েলের থাবা থেকে নিরাপদ? (ব্লু হোয়েলের আদ্যোপান্ত)

কিছুদিন ধরে রাত্রে ঠিকমত ঘুম হচ্ছে না কারণ এই ব্লু হোয়েল-ব্লু হোয়েল আর ব্লু হোয়েল। এই ব্লু হোয়েলের *** এখন আর দাঁড়াতে পারছি না। আর তাই এই ব্লু হোয়েল গেঞ্জাম/ক্রেজ/হাইপের মাঝে একটা ব্রেক লাগানোর চেষ্টায় আমি লিখছি আজকের এই টিউন।

ব্লু হোয়েল গেম আসলে কি? এটা কি নিশ্চিত মৃত্যুফাঁদ? মরণখেলা? আপনি কি ব্লু হোয়েল থেকে নিরাপদ? কিভাবে তৈরী হল এই ব্লু হোয়েল? বাংলাদেশে এলো কিভাবে? এরকমই কিছু প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করব আজকের টিউনে। তো চলুন শুরু করা যাক।

প্রথমেই জেনে নেয়া যাক এই, Blue Whale জিনিসটা আসলে কি। অনেকেই হয়ত জানেন এটা একটা গেম। থামেন ভাই, ব্লু হোয়েল আদতে কোনভাবেই গেম নয়। এর কোন গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস নেই, না এতে আপনি কোন ক্যারেক্টার কন্ট্রোল করতে পারবেন আর না ই আপনি কোন মিশন কমপ্লিট করতে পারবেন। তাহলে কি এই ব্লু হোয়েল বা নীল তিমি?

Blue Whale Challenge(ব্লু হোয়েল চ্যালেঞ্জ) হল একটা ইন্টারনেট ভিত্তিক চ্যালেঞ্জ যেটা আপনার জীবনকে হুমকির সম্মুখে ফেলতে সক্ষম।
সহজ ভাবে বলছি, ব্লু হোয়েল চ্যালেঞ্জ হল একটা মেসেজিং ওয়েবসাইট। যেখানে একজন ব্যবহারকারী শুধুমাত্র সাইটের এডমিনকে মেসেজ করতে পারবে। এডমিন ব্যবহারকারীকে প্রত্যেক দিন একটা করে ৫০ দিনে মোট ৫০টা চ্যালেঞ্জ বা টাস্ক দিবে সম্পন্ন করার জন্য। আর এডমিনরা ব্যবহারকারীকে এই টাস্ক সম্পন্ন করার জন্য বাধ্য করে থাকে। বিভিন্নভাবে ব্ল্যাকমেইল করার মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে বাধ্য করা হয় যেকোন ভাবে টাস্ক সম্পন্ন করতে। এবং কেউ একজন একবার এই চ্যালেঞ্জ শুরু করলে শেষ না করা পর্যন্ত তার আর মুক্তি নেই। এবং বেশিরভাগ সূত্রমতে ৫০টি টাস্কের ৫০তম টাস্ক হল ছাদ থেকে লাফ দেয়া বা নিজেকে শেষ করে দেয়া।

ব্লু হোয়েল একটি ডার্ক ওয়েব গেম বা চ্যালেঞ্জ। এটি তৈরী করেছিল ২১ বছর বয়সী রাশিয়ান ফিলিপ বুদেকিন। যে কিনা একজন মনোবিজ্ঞানের ছাত্র এবং যাকে তার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের করে দেয়া হয়। তার ভাষ্যমতে এই গেমটি সে তৈরী করেছে পৃথিবী থেকে জঞ্জাল দূর করার জন্য, সমাজ থেকে মূল্যহীন কীট দূর করার জন্য। ব্লু হোয়েল গেমটি ভাইরাল হয় ২০১৬ সালে রাশিয়ান সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম Vkonatakte তে।

সারাবিশ্বের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের দেয়া তথ্য থেকে জানা যায় কমপক্ষে ১৩০জন কিশোর-কিশোরী এই গেমের শিকার হয়ে আত্মহত্যা করেছে। এবং বলা হচ্ছে গত ৫ই অক্টোবর রাজধানীর হলি ক্রস স্কুলের ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী অপূর্বা বর্ধন স্বর্ণা এই ব্লু হোয়েল গেমের কারণে আত্মহত্যা করেছে(অন্তর তার পরিবারের এটাই দাবি)। তার মানে কি গেমটি বাংলাদেশে তার জাল বিস্তার করতে শুরু করেছে?

ব্লু হোয়েল সম্পর্কিত এইসব প্রশ্নের উত্তর পেতে এবং জানতে ব্লু হোয়েল গেমের আদ্যোপান্ত দেখতে হবে ভিডিওটি;
https://www.youtube.com/watch?v=mtqIlsQ0fco&t


মঙ্গলবার, ১ আগস্ট, ২০১৭

ফিফা ১৪ এ বাংলাদেশ টিম এড করুন আর বাংলাদেশকে নিয়ে জিতুন FIFA World Cup😜😜😜

ফিফা ১৪ এ বাংলাদেশ টিম এড করুন আর বাংলাদেশকে নিয়ে জিতুন FIFA World Cup😜😜😜


ফিফা ১৪ EA Sports এর মাস্টারপিস একটা গেম। ফুটবল গেমসের দুনিয়ায় হাল সময়ের সবচেয়ে বেশি আলোচিত এবং জনপ্রিয় গেমটি হল FIFA 14। ফিফা ১৪ গেমটি দিয়েই মূলত ফুটবল গেমসের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে উঠে যায়।

গ্রাফিক্স, পিজিক্স এর ব্যবহার, গেমপ্লে, কনট্রোল, গেমের চরিত্রের আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স এবং লো কনফিগ সাপোর্ট এর মত কারণে ফিফা ১৪ গেমটি সারা পৃথিবীজুড়ে বিশাল মার্কেট অর্জন করে। গেমাররা লুফে নেয় EA এর এই গেমটি।

এখন যদিও FIFA 18 চলে আসছে তারপরেও FIFA 14 এর জনপ্রিয়তা এখনও আকাশচুম্বী☺☺☺। বিশেষ করে বাংলাদেশের মত দেশে যেখানে অধিকাংশ গেমারেরই হাই কনফিগের পিসি কেনা সম্ভব হয়ে উঠে না সেখানে লো কনফিগের এই অসাধারণ রিয়েলিস্টিক গ্রাফিক্সের গেমটির জনপ্রিয়তা আকাশ ছাড়িয়ে মহাকাশচুম্বী😋😋😋।

ফিফা ১৪ (FIFA 14):

কভার আর্ট ফিচার করেছে : লিয়নেল মেসি (Lionel Messi)
ডেভেলাপ করেছে : ইএ কানাডা (EA Canada)
প্রকাশ করেছে : ইএ স্পোর্টস (EA Sports)
সিরিজ : ফিফা (FIFA)
ইঞ্জিন : Impact (Windows, Playstation 3 এবং XBox 360 এর জন্য), Ignite (Playstation 4 এবং XBox One এর জন্য)।
প্লাটফর্ম : জাভা, উইন্ডোস, এন্ড্রয়েড, আইওস, নিনটেনডো, এক্সবক্স ৩৬০, এক্সবক্স ওয়ান, প্লেস্টেশন ২, প্লেস্টেশন ৩, প্লেস্টেশন ৪, প্লেস্টেশন ভিটা, ওইই, উইন্ডোস ফোন ৮।
রিলিজ : সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৩ ।
মোড : সিঙ্গেল প্লেয়ার, মাল্টিপ্লেয়ার।


ফিফা ১৪ এ ৩৩টি লাইসেন্স করা লীগ সাথে ৬০০টি লাইসেন্স করা টিম এবং ১৬হাজারেরও বেশি লাইসেন্স করা খেলোয়াড় রয়েছে। এছাড়াও আছে ৪৭টি আন্তর্জাতিক ফুটবল দল।

বাংলাদেশে এখনও অত্যন্ত জনপ্রিয় এই গেমটিতে কঠিন সত্যজনক ভাবে বাংলাদেশ জাতিয় ফুটবল দল নেই...😑😑😑

আসলে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল নাথাকাটাই স্বাভাবিক। র‍্যাংকিং এর যে অবস্থা...👿👿👿
তারপরও নিজের দেশ এর প্রতি চাওয়াটা তো থাকেই। মনে গোপন আক্ষেপ থাকেই... ইশ... যদি বাংলাদেশ থাকত!!

না... আর আক্ষেপ করতে হবে না... এবার ফিফা ১৪ তে আপনি খেলবেন বাংলাদেশকে নিয়েই


হ্যাঁ... অফিসিয়ালি যদিও ফিফা ২০০৩ এর প কোন ফিফা গেমে বাংলাদেশকে অফিসিয়ালি দেখা যায় নি কিন্তু তাতে কি হয়েছে...?? মোড আছে না...☺☺☺

শুধুমাত্র একটা মোড ইন্সটল করে আপনার ফিফা ১৪ এ আপনি এড করে নিতে পারেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলকে। 

বাংলাদেশ জাতীয় দলের আসল সব খেলোয়াড় এবং আমাদের জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়াম সহ আরো পাবেন আসল চেহারা।

আর বাংলাদেশ জাতীয় দল হিসেবে খেলে বাংলাদেশকে জিতিয়ে দিতে পারেন ফিফা বিশ্বকাপ। ক্যারিয়ার মোডেও খেলতে পারবেন বাংলাদেশ এর প্লেয়ার হিসেবে।

চলুন ফিফা ১৪ তে বাংলাদেশ টিম এর কিছু স্ক্রিনশট দেখে নেই:
খেলা হচ্ছে শুরু...😜😜😜

এই তুই ডেটল দিয়া হাত ধুইছস??
ফুডু তুইল্লা লই... সবাই ক ইলিইইশ...
ই ই ই ই...
ইয়ে এ এ ... গোল দিছি মাম্মা...

তো যদি খেলতে চান বাংলাদেশের হয়ে বা বাংলাদেশ হয়ে তাহলে ডাউনলোড করতে হবে মোডটি...

বি.দ্রঃ মোড আমি তৈরী করিনি... আমি যেখান থেকে নিয়েছি সেই সোর্স হারিয়ে ফেলায় নিজে আপলোড করেছি...


কিন্তু শুধু মোড ডাউনলোড করলেই কি হবে??
না... ঠিকমত ইন্সটল করতে হবে সেই সাথে আছে আরো কিছু আনুষাঙ্গিক কাজ যেগুলো না করলে মোড কাজ করবে না এবং ইন্সটল হলেও গেম ক্রাশ করবে।

তো সঠিকভাবে ইন্সটল এবং মোড ব্যবহার করার পদ্ধতি জানার জন্য ভিডিওটি দেখে নিন...


টিউটোরিয়ালটি খুবই সহজ ভাবে বর্নণা করে করেছিে তাই বুঝতে কোন অসুবিধা হওয়ার কথা না তবুও যদি কার কোন অসুবিধা হয় তবে কমেন্টে জানাবেন আমি সাহায্য করার চেষ্টা করব।
ইউটিউবিং এ আমি নতুন। কয়েকটি টিউটোরিয়াল দিয়েছি। সামনে আরো অনেক ভিডিও দেব। আশা করি সবাই আপনারা আমার পাশে থাকবেন। আর আমার চ্যানেলে অবশ্যই সাবস্ক্রাইব করবেন।

                        আমার চ্যানেল।




                                                                                   ধন্যবাদ...

সোমবার, ৩১ জুলাই, ২০১৭

পাঁচ মিনিটে বানিয়ে নিন অসাধারণ এই ফেস লোগোটি... এবার আপনি পারবেনই...

পাঁচ মিনিটে বানিয়ে নিন অসাধারণ এই ফেস লোগোটি... এবার আপনি পারবেনই...

ফেস গ্যালাক্সি লোগোর সাথে আমরা অনেকেই পরিচিত। অনেক বড় বড় ইউটিউবার এই ফেস গ্যালাক্সি লোগো ব্যবহার করে থাকেন। ফেস গ্যালাক্সি লোগোতে কোন ব্যাক্তির চেহারার উপরে গ্যালাক্সি এর ইফেক্ট যোগ করা হয়।

এই ধরণের লোগো এখন খুব জনপ্রিয়। অনেকেই এখন নিজের প্রয়োজনে এই ধরণের লোগো তৈরী করার চেষ্টা করছেন। ইউটিউব এবং ইন্টারনেট ঘেটে অনেক ভিডিও দেখেছেন। কিন্তু ফটোশপ সম্পর্কে ভালো জ্ঞান না থাকায় এবং টিউটোরিয়ালগুলো সহজবোধ্য না হওয়ায় তারা লোগোটি তৈরী করতে পারেননি।

আজকে আমি খুবই সহজে এই লোগো বানানো দেখাবো। ফটোশপ সম্পর্কে কোন জ্ঞান না থাকলেও যে কেউ এই লোগোটি তৈরী করতে পারবেন।

কিন্তু তার আগে চলুন লোগো সম্পর্কে কিছু জেনে নেই।

লোগো ? হ্যাঁ লোগো

যদি প্রশ্ন করা হয় লোগো কি ?

এটা আবার কেমন প্রশ্ন হল!! লোগো আবার কি হবে!! লোগো তো লোগোই সব প্রতিষ্ঠানেরই তো লোগো আছে। গুগলের লোগো আছে, ইউটিউবের লোগো আছে, ফেসবুকের লোগো আছে আবার টেকটিউনসেরও লোগো আছে হ্যাঁ একদম ঠিক। সব সংঘ বা প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানিরই লোগো আছে।
এই লোগোটা সেই কোম্পানির বা প্রতিষ্ঠানের পরিচায়ক। লোগো দেখেই আমরা বুঝতে পারি এতা ওমুক কোম্পানির, এটা অমুক গ্রুপের সত্যি বলতে কি লোগ কোন প্রতিষ্ঠানের নামের চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ নয় বরং ক্ষেত্রবিশেষে নামের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

আসলে কি এই লোগো ?

লোগো হল এক ধরণের গ্রাফিক্যাল সিম্বল সোজা বাংলায় চিত্রায়িত প্রতীক। প্রত্যেক স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠানের স্বতন্ত্র লোগো থাকে। অনেক ক্ষেত্রে নামকেই লোগো হিসেবে ব্যবহার করতে দেখা যায় কিন্তু সেক্ষেত্রেও নামটা গ্রাফিক্যাল সিম্বলেই লোগো বলে স্বীকৃত হয়।

 কোথায় লোগো দরকার?

প্রশ্নটা হওয়া উচিৎ, লোগো দরকার নয় কোথায়? লোগো এমন এক অপরিহার্য উপাদান যে এটা ছাড়া কোন প্রতিষ্ঠান কল্পনা করাটাই বোকামি। প্রতিষ্ঠান, সে যে ধরনেরই হোক লোগো থাকাটা ফরজ কাজের মধ্যে পড়ে। লোগোহীন প্রতিষ্ঠান নামছাড়া মানুষের মত। চিনলেও কেউ চিনবে না।
আপনার যদি কোন ছোটখাটো বিজনেস(ব্যবসা) থেকে থাকে বা কোন একটা সামাজিক বা যে কোন ধরণের দল বা সংঘ থেকে থাকে তবে আপনার ব্যবসা বা সংঘের প্রচারণার জন্য অবশ্যই একতা লোগো থাকা আবশ্যক এমনকি আপনার যদি কোন ফেসবুক পেজ থেকে থাকে বা থেকে থাকে কোন জনপ্রিয় গ্রুপ অথবা কোন ইউটিউব চ্যানেল কিংবা কোন ওয়েবসাইট তবে আপনার অবশ্যই একটা লোগো থাকা খুবই জরুরি।

কিন্তু কিভাবে?

লোগো নিয়ে প্রথম সমস্যা হল আপনি নিজে বানাতে পারেন না। তখন আপনি কাউকে দিয়ে লোগো বানিয়ে নিতে চান। কিন্তু সেক্ষেত্রে দেখা যায় অনেক টাকা লাগে। আবার টাকা দিয়ে বানিয়ে নেওয়ার পর আপনার লোগটা পছন্দ না হলেও কিছু করার নেই, আবার নতুন করে টাকা খরচ।

কি দরকার এত্তো এত্তো ঝামেলার?

এত ঝামেলায় না গিয়ে আপনি নিজেই যদি বানিয়ে ফেলতে পারেন মনোমুগ্ধকর দৃষ্টিনন্দন একটি লোগো তাহলে কেমন হয়?অবশ্যই অসাধারণ। তো শুরু করে ফেলুন। 

নিজেই বানিয়ে ফেলতে যদি চান অসাধারণ এই লোগোটি তাহলে ভিডিও টিউটোরিয়ালটি দেখে নিন।


ইউটিউবিং এ আমি নতুন। কয়েকটি টিউটোরিয়াল দিয়েছি। সামনে আরো অনেক ভিডিও দেব। লোগো টিউটোরিয়াল নিয়েই আরো ৩টি ভিডিও দেওয়ার জন্য কাজ করছি, অবশ্যই প্রত্যেকটি টিউটরিয়ালে ভিন্ন ভিন্ন লোগো তৈরী করা দেখাবো। আশা করি সবাই আপনারা আমার পাশে থাকবেন।

                                              আর অবশ্যই সাবস্ক্রাইব করবেন।


বুধবার, ২৬ জুলাই, ২০১৭

নিজে নিজেই বানিয়ে নিন অসাধারণ লোগো (ফেসবুক গ্রুপ/পেজ, ইউটিউব চ্যানেল, ছোট ব্যবসা, অনলাইন ব্যবসার জন্য)

নিজে নিজেই বানিয়ে নিন অসাধারণ লোগো (ফেসবুক গ্রুপ/পেজ, ইউটিউব চ্যানেল, ছোট ব্যবসা, অনলাইন ব্যবসার জন্য)


লোগো... হ্যাঁ লোগো... 

যদি প্রশ্ন করা হয় লোগো কি????

এটা আবার কেমন প্রশ্ন হল!!😕😕 লোগো আবার কি হবে!!😶😶 লোগো তো লোগোই...
 সব প্রতিষ্ঠানেরই তো লোগো আছে। গুগলের লোগো আছে, ইউটিউবের লোগো আছে, ফেসবুকের লোগো আছে আবার টেকটিউনসেরও লোগো আছে...

হ্যাঁ একদম ঠিক। সব সংঘ বা প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানিরই লোগো আছে। এই লোগোটা সেই কোম্পানির বা প্রতিষ্ঠানের পরিচায়ক। লোগো দেখেই আমরা বুঝতে পারি এতা ওমুক কোম্পানির, এটা অমুক গ্রুপের... সত্যি বলতে কি লোগ কোন প্রতিষ্ঠানের নামের চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ নয় বরং ক্ষেত্রবিশেষে নামের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। 


আসলে কি এই লোগো?? 


লোগো হল এক ধরণের গ্রাফিক্যাল সিম্বল সোজা বাংলায় চিত্রায়িত প্রতীক। প্রত্যেক স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠানের স্বতন্ত্র লোগো থাকে। অনেক ক্ষেত্রে নামকেই লোগো হিসেবে ব্যবহার করতে দেখা যায় কিন্তু সেক্ষেত্রেও নামটা গ্রাফিক্যাল সিম্বলেই লোগো বলে স্বীকৃত হয়। 



কোথায় লোগো দরকার?



প্রশ্নটা হওয়া উচিৎ, লোগো দরকার নয় কোথায়? লোগো এমন এক অপরিহার্য উপাদান যে এটা ছাড়া কোন প্রতিষ্ঠান কল্পনা করাটাই বোকামি। 
প্রতিষ্ঠান, সে যে ধরনেরই হোক লোগো থাকাটা ফরজ কাজের মধ্যে পড়ে। লোগোহীন প্রতিষ্ঠান নামছাড়া মানুষের মত। চিনলেও কেউ চিনবে না।

আপনার যদি কোন ছোটখাটো বিজনেস(ব্যবসা) থেকে থাকে বা কোন একটা সামাজিক বা যে কোন ধরণের দল বা সংঘ থেকে থাকে তবে আপনার ব্যবসা বা সংঘের প্রচারণার জন্য অবশ্যই একতা লোগো থাকা আবশ্যক... এমনকি আপনার যদি কোন ফেসবুক পেজ থেকে থাকে বা থেকে থাকে কোন জনপ্রিয় গ্রুপ অথবা কোন ইউটিউব চ্যানেল কিংবা কোন ওয়েবসাইট তবে আপনার অবশ্যই একটা লোগো থাকা খুবই জরুরি।

কিন্তু কিভাবে? 

লোগো নিয়ে প্রথম সমস্যা হল আপনি নিজে বানাতে পারেন না। তখন আপনি কাউকে দিয়ে লোগো বানিয়ে নিতে চান। কিন্তু সেক্ষেত্রে দেখা যায় অনেক টাকা লাগে। আবার টাকা দিয়ে বানিয়ে নেওয়ার পর আপনার লোগটা পছন্দ না হলেও কিছু করার নেই, আবার নতুন করে টাকা খরচ। 

কি দরকার এত্ত এত্ত ঝামেলার?



এত ঝামেলায় না গিয়ে আপনি নিজেই যদি বানিয়ে ফেলতে পারেন মনোমুগ্ধকর দৃষ্টিনন্দন একটি লোগো তাহলে কেমন হয়? 
অবশ্যই অসাধারণ। তো শুরু করে ফেলুন। নিজেই বানিয়ে ফেলতে যদি চান অসাধারণ এই লোগোটি... 

তাহলে ভিডিও টিউটোরিয়ালটি দেখে নিন আর নিজেই তৈরি করুন অসাধারন এই লোগোটি... 


টিউটোরিয়ালটি খুবই সহজ ভাবে বর্নণা করে করেছি... তাই বুঝতে কোন অসুবিধা হওয়ার কথা না... তবুও যদি কার কোন অসুবিধা হয় তবে কমেন্টে জানাবেন আমি সাহায্য করার চেষ্টা করব।

ইউটিউবিং এ আমি নতুন। কয়েকটি টিউটোরিয়াল দিয়েছি। সামনে আরো অনেক ভিডিও দেব। লোগো টিউটোরিয়াল নিয়েই আরো ৩টি ভিডিও দেওয়ার জন্য কাজ করছি, অবশ্যই প্রত্যেকটি টিউটরিয়ালে ভিন্ন ভিন্ন লোগো তৈরী করা দেখাবো। আশা করি ইউটিউবিং এ ও আপনারা আমার পাশে থাকবেন। দেখে আসতে পারেন আমার চ্যানেল।


                                                          ধন্যবাদ...


রবিবার, ৯ জুলাই, ২০১৭

ফ্রীলান্সিং বা আউটসোর্সিং, কি? কেমন করে? কেন? কিভাবে? ( ফ্রীলান্সিং এর আদ্যোপান্ত, মেগা পোস্ট)

ফ্রীলান্সিং বা আউটসোর্সিং, কি? কেমন করে? কেন? কিভাবে? ( ফ্রীলান্সিং এর আদ্যোপান্ত, মেগা পোস্ট)


ফ্রীলান্সিং(মুক্তপেশা) বা আউটসোর্সিং(ইহার কোন বাংলা প্রতিশব্দ পাওয়া যায় নায়, আশা করি খুব তাড়াতাড়িই পাবো... বাংলা একাডেমী আছে না😜😜) শব্দদুটির যে কোন একটি শুনলেই আমাদের চোখে ভেসে উঠে ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ সামনে, পাশে কফির মগ নিয়ে অল্পবয়সী কোন তরুণ বা তরুণী ইন্টারনেটে কাজ করে যাচ্ছে মনের সুখে...😜😜😜...(আমেরিকাতেও মনে হয় কেউ এমন স্বপ্নের মত ফ্রিলান্সিং করে নাহ, আর বাংলাদেশে...😔😔)...

ফ্রীলান্সিং বা আউটসোর্সিং বলতে সাধারণত আমরা বুঝি ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন কাজ করে টাকা আয় করা, সাধারণ অর্থে ফ্রীলান্সিং এর সঙ্গা এটাই।


(Freelancing)ফ্রীলান্সিং কি?



Freelancing(ফ্রীলান্সিং) একটি ইংরেজী শব্দ। Free এবং Lancing দুটি আলাদা শব্দ থেকে Freelancing শব্দটির উৎপত্তি। Freelancing শব্দটির প্রথম অংশ Free শব্দটি এসেছে জার্মান ভাষা থেকে যার অর্থ To Love(ভালবাসতে/ভালবাসে), কে না ভালবাসে নিজের ইচ্ছামত সময়ে পছন্দের কাজ করে জীবিকা উপার্জন করতে??? আর দ্বিতীয় অংশ Lancing এসেছে ফরাসি ভাষা থেকে যার অর্থ Hurl(সজোরে নিক্ষেপ করা)। হ্যাঁ আপনি ঠিকই পড়েছেন।
তাহলে ফ্রীলান্সিং এর অর্থ কি হল?? 😕😕😕😕
শাব্দিক অর্থ বের করতে গেলে আপনার মাথা নষ্ট না হলে আমাকে বলবেন, আপনার মত লিজেন্ডকে একবার না দেখে মরতে চাই না আমি।

ফ্রীলান্সিং হল মূলত, জীবিকা নির্বাহের জন্য কারো অধীনে না থেকে নিজের ইচ্ছা ও পছন্দমত কাজ করা।


এখনকার যুগে ফ্রিলান্সিং এর ধারণা প্রধানত ইন্টারনেট থেকে মুক্ত ভাবে আয়ের উপরেই সীমাবদ্ধ। কিন্তু যে কোন ধরণের স্বাধীন পেশাই ফ্রীলান্সিং এর আওতাভুক্ত। এমনকি কৃষিকাজ, লেখালেখি, স্বাধীন যে কোন ব্যবসা, মুদি দোকানদারি(নিজে মালিক হলে), ড্রাইভিং(গাড়ি নিজের হলে), খামার ও পশুপালন এই বিষয়গুলোও ফ্রীলান্সিং এর অন্তর্ভুক্ত।

যারা Freelancing করে তাদের বলা হয় Freelancer(ফ্রীলান্সার), সোজা বাংলায় মুক্তপেশাজীবি।


                    
                                      ফ্রিলান্সারদের সাধারণত ৪টি শ্রেনীতে বিভক্ত করা হয়।

১) Side-Project Freelancer(পার্শ্বিক মুক্তপেশাজীবি): এরা মূলত জীবিকার জন্য দৈনিক কোন একটি পেশার সাথে সম্পৃক্ত। তাদের দৈনিক পেশার কর্মকান্ড সম্পাদন করার পর তারা ফ্রীলান্সিং করে। অর্থাৎ এরা সম্পূর্ণ মুক্তপেশাজীবি বা ফ্রীলান্সার না, আংশিক মুক্তপেশাজীবি।

২) Full Time Freelancer(সার্বক্ষণিক মুক্তপেশাজীবি): জীবিকা অর্জনের জন্য সম্পূর্ণভাবে মুক্তপেশার উপর নির্ভরশীল। এরা পছন্দানুযায়ী একের পর এক ফ্রীলান্সিং জব করতে থাকে।

৩) Single Contract Freelancer(কন্ট্রাক ভিত্তিক ফ্রীলান্সার): কন্ট্রাক নেওয়ার মাধ্যমে ফ্রিলান্সিং করে। ক্লায়েন্টের সাথে কন্ট্রাক করে কোন একটি প্রজেক্ট নেয় এবং একটি প্রজেক্টই করে। সার্বক্ষণিক ফ্রিলান্সারদের মত একের পর এক জব করে না।

৪) Freelancer Business Owner(ফ্রীলান্সিং ব্যবসার মালিক): ব্যবসার বৃদ্ধির জন্য যারা ফ্রীলান্সারদের কাছে নিজেদের সুযোগগুলি কম উপস্থাপন করে। তবে মাঝে মাঝে এরাও ফ্রিলান্স জব করে।


Freelancing এল কেমন করে?(ফ্রীলান্সিং এর ইতিহাস)



আধুনিক ফ্রীলান্সিং বলতে আমরা সাধারণত ইন্টারনেটে মুক্তপেশাকে বুঝলেও ফ্রিলান্সিং এর ধারণা আরো অনেক বিস্তৃত।  যে কোন ধরণের মুক্তপেশাকেই ফ্রীলান্সিং এর আওতায় ফেলার ফলে এর পরিধি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।

ফ্রিলান্সিং এর ধারণা কিন্তু মোটেও আধুনিক কোন ধারনা নয়। ১৮-১৯ শতাব্দীতে ফ্রীলান্সিং এর ধারণা পাওয়া যায়। মনে করা হয় ১৮ শতাব্দীতে ফ্রীলান্সিং ধারনার উৎপত্তি। 'Freelance' শব্দটির প্রথম ব্যবহার পাওয়া যায় Sir Walter Scott এর ১৮১৯ সালে লেখা 'Ivanhoe' বইয়ে। যেখানে একজন লর্ড(রাজা বা আধিকারিক) তার সৈন্যদের উদ্দেশ্যে(বেতনভুক্ত সৈন্য) বলেন, 'I offered Richard the service of my Free Lances, and he refused them—I will lead them to Hull, seize on shipping, and embark for Flanders; thanks to the bustling times, a man of action will always find employment.'(বাংলা করি দিতে ফারতাম না, নিজেরা করি লন😉😉)। কিন্তু 'Freelance' শব্দটি ইংরেজি ভাষাতে আসে ১৮০০ সালের শুরুর দিকে তখন 'Freelance' দ্বারা বোঝানো হত একদল চিকিৎসক কাম সেবিকা/সেবকদের যারা যুদ্ধের ময়দানে যে পক্ষ বেশি টাকা দত তাদের সৈন্যদেরই চিকিৎসা/সেবা করত। P.G. Wodehouse ১৯৩০ সালে তার এক প্রবন্ধে একজন ফ্রিলান্সার লেখকের উল্লেখ করেন যিনি খুবই হাসিখুশি ফ্রীলান্সার জীবনযাপন করছিলেন।
১৯৬৯ সালে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তলার উদ্দেশ্যে ARPANET(Advance Research Project Agency Network) নামক ইন্টারনেটের প্রাথমিক ভিত্তি তৈরী করে। ১৯৯০ সালে ARPANET বন্ধ হয়ে Internet নামে চালু হয় আধুনিক ইন্টারনেট। এর  আগেই অবশ্য ১৯৮৯ সাল থেকেই ISP এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য ইন্টারনেট উন্মুক্ত হয়। ইন্টারনেট ইতিহাস বাদ থাক আমরা ফ্রীলান্সিং এ ফিরে আসি। আধুনিক ফ্রিলান্সিং এর ধারণা তৈরী হয় ১৯৭২ সালে। ইউনিভার্সিটি অফ সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া এর অধ্যাপক Jack Nillies সর্বপ্রথম আধুনিক ফ্রিলান্সিং এর ধারনা বর্ণনা করেন। ৭০ এর দশকে ইন্টারনেট সাধারণের নাগালে না থাকায় ফ্রিলান্সিং এর ধারনা তখন খুব একতা বিকশিত হয় নি। ফ্রিলান্সিং মূলত জনপ্রিয় হয়ে উঠে ১৯৯৫ থেকে, ততদিনে ইন্টারনেট সাধারণের নাগালে চলে এসেছে ফলে এর পর থেকে ফ্রীলান্সিং এর জনপ্রিয়তা বাড়তেই থাকে। তবে ২০০১ এর পর আমেরিকার ফ্রিলান্সিং জোয়ারে একটু ভাটা পড়ে। অনেকে এর জন্য ৯/১১ কে দায়ী করেন। আবার ২০০৫ এর পর থেকে আমেরিকান ফ্রিলান্সারদের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে এবং আশা করা যায় ২০২৫ এর মধ্যে আমেরিকার জনসংখ্যার ৫০% ই ফ্রিলান্সিং এর সাথে যুক্ত হবে।

আমেরিকার ফ্রিলান্সার আর সাধারণ চাকরিজিবিদের একটা গ্রাফ দেখলেই বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে যাবে।



আশা করা যায় সারা বিশ্বেই এই সময়ে ফ্রিলান্সারদের সংখ্যা বাড়বে। ধারণা করা হচ্ছে ২০২৫ এর মধ্যে বিশ্বে ফ্রিলান্সারদের সংখ্যা এখনের তুলনায় দ্বিগুণ হবে।

আনন্দের বিষয় হল বাংলাদেশে ফ্রীলান্সিং জনপ্রিয় হচ্ছে। বিশ্বের সাথে পাল্লা দিয়ে আমদের ফ্রিলান্সাররা আর দক্ষ ও অভিজ্ঞ হয়ে উঠছে। আয় করছে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে এ খাত থেকে আয় বাড়ছেই। ২০১৪-১৪ অর্থবছরে এ খাত থেকে আয় হয় ৭ কোটি ৩৯ লাখ ডলার পরবর্তীতে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে তা বেড়ে হয়ে যায় ৯ কোটি ৪৯ লাখ ডলার 😊😊😊। আর এটাকার পুরোটাই বৈদেশিক মুদ্রায়...

বাংলাদেশের এই খাতে রয়েছে অপরিসীম সম্ভাবনা। কারণ:

* বাংলাদেশ ১২ ঘন্টা টাইম জোনে অবস্থিত। অর্থাৎ আমেরিকা বা ইউরোপে যখন রাত আমাদের এখানে তখন দিন।  অর্থাৎ ইউরোপ আমেরিকার ক্লায়েন্টদের কাজগুলো আমরা দিনে করতে পারব, যখন তারা ঘুমাবে। আবার ইচ্ছা করলে ২৪ ঘন্টাই কাজ করা সম্ভব।

* আমাদের দেশে রয়েছে প্রচুর বেকার যুবক, যারা চাকরি পাবার জন্য হণ্যে হয়ে ঘুরাঘুরি করছে... এসব বেকার যুবকদের যথাযোগ্য প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তুলে ফ্রীলান্সিং এ কর্মক্ষেত্র তৈরী করে দেওয়া সম্ভব।

* আমাদের দেশে শ্রমের মূল্য অনেক কম। কিন্তু আমাদের দেশে রয়েছে অনেক স্কিলড আর অভিজ্ঞ ফ্রিলান্সার, আবার নতুনদের ভালো প্রশিক্ষণ দিয়ে স্ক্লিওদ করে গড়ে তুললে ভালো কাজ পাওয়া সম্ভব। কেননা, ইউরোপ আমেরিকার কোন ফ্রীলান্সার কোন একটা কাজ যখন ৫০ ডলারের নিচে করে দিবে না আমাদের ফ্রিলান্সাররা সেটা ২০-২৫ ডলারের মধ্যেই করে দিবে।



ফ্রীলান্সিং কেন?



আসলে প্রশ্নটা হওয়া উচিত ছিল, ফ্রীলান্সিং কেন নয়??
ফ্রীলান্সিং এমন এক ক্ষেত্র যেখানে যে কোন বিষয়ে পারদর্ষী ব্যক্তিই কাজ করতে পারবে। কাজের ক্ষেত্র বিশাল। সারা পৃথিবী জুরে ফ্রীলান্সিং করার সুযোগ রয়েছে(নিজের ঘরে বসেই)। তারপরেও বলছি কেন ফ্রিলান্সিং; 

*ফ্রীলান্সিং হল মুক্ত পেশা। এখানে যে কেও তার পছন্দমত বিষয় নিয়ে কাজ করতে পারে।

* কাজের জন্য কোন ধরাবাধা নিয়ম নেই।

* কোন টাইম মত অফিস যাওয়া নেই। 

* নিজের মেধা বিকাশের পরিপূর্ণ সুযোগ রয়েছে, যেটা সাধারন চাকরিতে নেই। 

* ঘরে বসেই কাজ করা যায়।

* স্কিলড হলে সাধারন চাকুরির চেয়ে অনেক বেশি আয় করা যায়।

* পরিপূর্ণ স্বাধীনতা।



ফ্রীলান্সিং কিভাবে?






ফ্রীলান্সিং এর প্রথম কথাই হল একজন ফ্রিলান্সার কোন একজন ক্লায়েন্টের সাথে দীর্ঘ সময়ের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নন। ক্লায়েন্ট বা কর্মদাতা তার কাজটি করিয়ে নেওয়ার জন্য একজন ফ্রিলান্সারের সাথে সাময়িক একটি চুক্তিতে আবদ্ধ হন। সেই চুক্তির মেয়াদ থাকে কাজটি বুঝিয়ে দেবার আগে পর্যন্ত। এখন একজন এমপ্লয়ার বা ক্লায়েন্ট বা কর্মদাতা যখন তার কাজটি কোন ফ্রিলান্সারকে দিবেন তিনি অবশ্যই চাইবেন তার কাজটি দ্রুত হোক এবং যাকে দিয়ে কাজটি তিনি করাচ্ছেন তিনি যেন অভিজ্ঞ ও স্কিলড হন যাতে তার কাজটি সূক্ষ্ম ভাবে সম্পন্ন হয়।
অর্থাৎ কোন ফ্রীলান্সারের অবশ্যই দক্ষ এবং অভিজ্ঞ হওয়া খুনই জরুরি। তা না হলে কাজ পাওয়া খুবই কঠিন হয়ে যাবে। সবসময়ই সেরা ফ্রীলান্সার কাজটি পেয়ে থাকেন।

ফ্রীলান্সিং এ যে কোন বিষয় নিয়েই কাজ করা সম্ভব। কোন ব্যাক্তি যদি রান্নায় পারদর্শী হয় তবে সেও ফ্রিলান্সিং এর মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবে। সে রান্না বিষয়ক একটা সাইট খুলে বা ইউটিউব চ্যানেল খুলে তাতে নতুন নতুন এবং ভালো মানের রান্নার রেসিপি দেওয়ার মাধ্যমে ভাল আয় করতে পারবে। মুল কথা হল দক্ষতা থাকতে হবে। দক্ষতা থাকলে ফ্রিলান্সিং এ সফলতা আসবেই। তাই আজই আপনি কোন একটি বিষয় নিয়ে সর্বোচ্চ ধারণা নিয়ে নিন আর শিখে নিন, হয়ে উঠুন দক্ষ।

আয় করার উপায়:



ফ্রীলান্সিং থেকে আয় করার  বেশ অনেকগুলো উপায় রয়েছে;

* লেখালেখি ও অনুবাদ করে আয়: ইন্টারনেট দুনিয়া থেকে আয় করতে পারেন লেখালেখি করে। বিভিন্ন প্রবন্ধ, নিবন্ধ, ওয়েবসাইট কন্টেন্ট, রিভিউ, বিষয়ভিত্তিক পোস্ট, সংবাদ বিজ্ঞপ্তি, ছোট গল্প, প্রাপ্তবয়স্কদের গল্প এবং এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় ভাষান্তরকরণ করে আয় করতে পারেন টাকা। বাঙালিদের জন্য সুখবর হল বিশ্বের প্রথম ও সবচেয়ে জনপ্রিয় বাংলা তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক ব্লগ techtunes.com থেকেও এখন আর্টিক্যাল লিখে আয় করা সম্ভব। তাছাড়া আয় করতে পারেন, writing.com, onlinewritingjobs.com বা poewar.com থেকেও। 

* প্রোগ্রামিং: কোড লিখে সরাসরি আয় করতে পারে getacoderjob.com থেকে। এখানে বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন কাজের জন্য কোডার বা প্রোগ্রামার খুঁজে থাকেন। আবার প্রোগ্রামিং এর মাধ্যমে এন্ড্রয়েড এপ বা সফটওয়্যার বানিয়ে আয় করতে পারেন। এখানে আবার দুইভাবে আয় করতে পারেন। নিজে এপ বা সফটওয়্যার বানিয়ে তা থেকে আয় করতে পারবেন আবার অন্য কারো জন্য এপ বা সফটওয়্যার বানিয়ে দিয়েও আয় করতে পারবেন।

* ওয়েব ডেভেলাপিং এবং ওয়েব ডিজাইনিং: ওয়েব ডেভেলাপিং এবং ডিজাইনিং এর মাধ্যমে দুইভাবে আয় করা যায়। নিজের জন্য ওয়েবসাইট বানিয়ে সেখান থেকে আয় অথবা অন্য কার জন্য ওয়েবসাইট বানিয়ে দেওয়া এবং ডিজাইন করে দেওয়া।

* গ্রাফিক্স ডিজাইনিং: গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এ ভালো দক্ষতা থাকলে আপনি বেশ কয়েকভাবেই এ থেকে আয় করতে পারবেন। অন্যের জন্য ডিজাইন করে দিয়ে আপনি আয় করতে পারবেন। বিভিন্ন মাইক্রোস্টক সাইট থেকে আয় করতে পারবেন, এ সাইতগুলো থেকে আপনি প্যাসিভ ইনকাম করতে পারবেন। অর্থাৎ আপনার দেওয়া কোন একটি আইকন, লোগো, চরিত্র(কার্টুন), টেমপ্লেট বা ব্যাকগ্রাউন্ড এ ধরণের সাইটে আপলোড করার পর এটি ক্রমাগত বিক্রি হতে থাকবে আর আপনি লভ্যাংশ পেতে থাকবেন। এমন কিছু সাইট; shutterstock.com, fotolia.com, istockphoto.com, dreamstime.com । আনার বিভিন্ন কনটেস্টে অংশ নিয়েও আয় করতে পারেন। গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এর উপরেই হবে কনটেস্ট। এমন কিছু সাইট: 99designs.com, logotournament.com, designbyhuman.com ।

* ইন্টারনেট মার্কেটিং: ইন্টারনেট মার্কেটিং এর সবচেয়ে বর প্লাটফর্ম হল Youtube । Youtube এ বিভিন্ন ভিডিও আপলোডের করে তাতে এড শো করিয়ে টাকা আয় করা সম্ভব। বর্তমানে এটা খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তাছাড়া এফিলিয়েট মার্কেটিং এবং পেইড প্রোমশনের মাধ্যমেও আয় করা সম্ভব। Youtube এ আমার চ্যানেল

গ্রাহক সেবা: দেশি-বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানির গ্রাহককে টেলিফোন, ইমেইল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাহাজ্যে তথ্য প্রদানের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা করা।

প্রশাসনিক সহায়তা: দেশি-বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন কাজের ডাটা এন্ট্রি করণ, ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করা।

* PTC সাইট থেকে আয়: অনেকের মতে পিটিসি সম্পূর্ণই ভুয়া। কথাটা পুরোপুরি ঠিক না। কিছু কিছু পিটিসি সাইত সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছে। এ নিয়ে আরো জানতে এখানে ক্লিক করুন।

* এনভাটো মার্কেটপ্লেস থেকে আয়: এ ধরণের ডীজিটাল মার্কেটপ্লেস বিভিন্ন ধরণের কেনাবেচার সুবিধা দেয়। যেমন গাফিক ও্যার্ক, টেমপ্লেট, মকিউজিক, ভিডিও, ফটোগ্রাফি ইত্যাদি। এমন কিছু সাইট: themeforest.net, graphicriver.com, 3docean.net, photodune.net ইত্যাদি। 

* প্লাগইন তৈরী: Wordpress শিখে নতুন নতুন প্লাগইন তৈরী করে তা থেকে প্রচুর আয় করা সম্ভব।




                                     আপনার ফ্রীলান্সিং জীবন সুন্দর হোক!




























মঙ্গলবার, ২০ জুন, ২০১৭

ডিলেট হয়ে যাওয়া যে কোন ছবি, ভিডিও বা মূভি এবং ডকুমেন্ট রিকভার করুন সবচেয়ে সহজ পদ্ধতিতে, এক বছর আগে ডিলেট হয়ে যাওয়া ফাইলও রিকভার করতে পারবেন পরিপূর্ণভাবে (Windows এবং Mac এর জন্য)

ডিলেট হয়ে যাওয়া যে কোন ছবি, ভিডিও বা মূভি এবং ডকুমেন্ট রিকভার করুন সবচেয়ে সহজ পদ্ধতিতে, এক বছর আগে ডিলেট হয়ে যাওয়া ফাইলও রিকভার করতে পারবেন পরিপূর্ণভাবে (Windows এবং Mac এর জন্য)

পিসিতে  আমরা গুরুত্বপূর্ণ অনেক ফাইল এবং ফোল্ডার রাখি। এর মধ্যে আছে ছবি, মূভি বাঃ ভিডিও এবং কোন গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট। অনেক সময় ভুল করে আমরা অথবা অন্য কেউ না জেনে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রয়োজনীয় ফাইল পার্মানেন্টলি ডিলেট করে ফেলে। গুরুত্বপূর্ণ বাঃ দরকারি কোন ফাইল ডিলেট হয়ে গেলে স্বাভিবিকভাবেই আমরা খুবই সমস্যার মুখোমুখি হই। কোন ব্যাকাপ না থাকায় ফাইল আমরা ফিরিয়েও আনতে পারি না। 

আমাদের আজকের বিষয় হচ্ছে কিভাবে পার্মানেন্টলি ডিলেট হয়ে যাওয়া কোন ফাইল (ছবি, ভিডিও, মূভি, ইমেইল বা ডকুমেন্ট) রিকভার করব বাঃ ফিরিয়ে আনব। BackUp না দেওয়া থাকলে অপারেটিং সিস্টেম কোন ফাইল রিকভার করতে পারে না।

তো আপনি কিভাবে ফাইল রিকভার করবেন বাঃ ফিরিয়ে আনবেন?

যে কোন ধরণের ডাটা রিকভার করার জন্য আমরা Third Party Software ব্যবহার করব। Third Party Software কোন সফটওয়্যার এর নাম নয়। কোন প্রতিষ্ঠানের তৈরী সফটওয়্যার যা আমাদের পিসির ম্যানুফ্যাকচারের সাথে সম্পর্কিত নয় এবং অপারেটিং সিস্টেমের সাথেও সম্পর্কিত নয় সেই সফটওয়্যার কেই থার্ড পার্টি সফটওয়্যার বলে।
ফাইল রিকভারি করার বিশ্বসেরা দুইটি সফটওয়্যার হল Recuva আর EaseUs Data Recovery Wizard।সফটওয়্যার দুটোরই প্রো ভার্সন আর ফ্রী ভার্সন রয়েছে। প্রো ভার্সন টাকা দিয়ে কিনে নিতে হয় আর ফ্রী ভার্সন ত ফ্রী ই। আপনি দুইটা সফটওয়ারের যে কোন একটা ইউস করবেন।
ডাউনলোড করে নিন Recuva অফিসিয়াল সাইট থেকে। অথবা,
ডাউনলোড করে নিন EaseUs Data Recovery Wizard অফিসিয়াল সাইট থেকে।

ডাউনলোড করার পরে ইনস্টল করে নিবেন। এরপর কিভাবে ফাইল রিকভার করবেন তা দেখার জন্য ভিডিওটা দেখুন:




চ্যানেল নতুন ক্রিয়েট করেছি। সামনে প্রযুক্তি বিষয়ক নানা ভিডিও আপলোড করব। সাবস্ক্রাইব করে সাথে থাকতে ভুলবেন না। আর কি বিষয় নিয়ে ভিডিও করা যায় অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন।

বৃহস্পতিবার, ১৮ মে, ২০১৭

Ransomware ; বিশ্বজুড়ে বিভীষিকা, বেঁচে থাকুন Ransomware থেকে। র‍্যানসমওয়্যার কেন রানসমওয়্যারের বাপও পারবে না আপনার পিসিতে আক্রমণ করতে।

Ransomware ; বিশ্বজুড়ে বিভীষিকা, বেঁচে থাকুন Ransomware থেকে। র‍্যানসমওয়্যার কেন রানসমওয়্যারের বাপও পারবে না আপনার পিসিতে আক্রমণ করতে।


১৯/০৫/২০১৭, শুক্রবার

ইন্টারনেটের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় Ransomware হামলা হল বিশ্বের ৭৪টি দেশে। সোমবারের মধ্যে তা ছড়িয়ে পড়ে ৯৯টি দেশে। Encrypt করে দেয় ২,৫০,০০০ এরও বেশি কম্পিউটারের তথ্য। এর মধ্যে অনেক বড় বড় হাসপাতাল, রেলওয়ে স্টেশন, বিদ্যুৎ অফিস, গ্যাস স্টেশন, বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটারও রয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০টি দেশের ৩,৫০,০০০ এরও বেশি কম্পিউটার আক্রান্ত হয়েছে এই WannaCry/ WCry/ WannaCrypt/ Wanna Decryptor/ WannaCrypt0r 2.0 নামের এই রানসমওয়্যার দ্বারা। বেশিরভাগ Microsoft Windows Operating System এর ব্যবহারকারীরা এই Ransomware দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন।
Ransomware হচ্ছে এক ধরণের ম্যালওয়্যার। এ ধরণের ম্যালওয়্যারগুলো আক্রমণের পর কোন ক্ষতি না করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে Ransom বা মুক্তিপন দাবি করে। এই ধরণের ম্যালওয়্যার মূলত কম্পিউটারকে আক্রমণ করে সকল তথ্য সিজ করে ফেলে তথা কম্পিউটারের সকল তথ্য নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় এবং ব্যবহারকারীকে তার তথ্যসমূহ ব্যবহার বা তথ্যসমূহের প্রতি যে কোন রকম প্রবেশ থেকে বাধা দেয়।
 WannaCry রানসমওয়্যারটি কম্পিউটারের ডাটা Encrypt করে ফেলে এবং কম্পিউটারের ডাটা এবং তথ্য ফিরে পেতে ইউজারের কাছ থেকে ৩০০ডলার দাবি করে।



এই টাকা দেওয়ার জন্য তারা ৩দিনের(আক্রমণের সময় হতে) সময় বেধে দেয়। এই সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ না করলে পরবর্তিতে দ্বিগুণ টাকা দাবি করে। এবং সর্বশেষ টাকা পরিশোধের জন্য আক্রমণের সময় হতে সাত দিনের সময় বেঁধে দেয়। এর মধ্যেও টাকা না দেওয়া হলে সকল ডাটা নষ্ট করে দেওয়ার হুমকি দেয়।

নিউইয়র্ক টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, বৈশ্বিক এই সাইবার আক্রমণ নিয়ে এখন পর্যন্ত বেশ কিছু তথ্য জানিয়েছেন বিশ্লেষকেরা:
১. এখন পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের হাসপাতাল, স্পেনের কয়েকটি কোম্পানি, অন্য ১১টি দেশের পক্ষ থেকে আক্রমণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
২. ক্যাসপারস্কির তথ্য অনুযায়ী, ৭৪টি দেশে ৪৫ হাজার আক্রমণ চালানো হয়েছে। এর মধ্যে ফেডেক্স, এনএইচএস, রাশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রয়েছে।
৩. মাইক্রোসফট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের ত্রুটি কাজে লাগানো হয়েছে। গত এপ্রিলে শ্যাডো ব্রোকার্স নামের একদল হ্যাকারের বের করা নিরাপত্তা ত্রুটি ও প্রোগ্রাম কাজে লাগিয়ে এই আক্রমণ চালানো হয়েছে।
৪. যুক্তরাজ্যের ১৬টি হাসপাতাল আক্রমণের শিকার হয়েছে। চিকিৎসকেরা রোগীদের ফাইল দেখতে পারছেন না। অবশ্য প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে বলেছেন, কোনো রোগীর তথ্য চুরির প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
৫. ডক ফাইল থেকে শুরু করে মিডিয়া ফাইল, এক্সএল ফাইলসহ দরকারি সব ধরনের ফাইল আটকে রাখতে সক্ষম এটি।
৬. এ আক্রমণের দায় স্বীকার করেনি কেউ।
৭. Elliptic এর সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী $82,644.72(৬৬,৬০,৭৬০ টাকা) ডলার দেওয়া হয়েছে এই আক্রমণকারীদেরকে (Elliptic একটি বিককয়েন ফার্ম যা এই ঘটনাটি নজরদারি করছে)।

বাংলাদেশে অন্তত কয়েকশ' কম্পিউটার এই ম্যালওয়্যার দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে যদিও মাত্র ৩০টি কমপিউটার আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে!!

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে যেহেতু এই ম্যালওয়্যারে জটিল কোন কোড ব্যবহার করা হয়নি (কোডটাকে আরো জটিল করা যেত) তাই সামনে আরো বড় ধরণের সাইবার হামলা অপেক্ষা করছে, হামলাকারিরা সম্ভবত বড় ধরণের কোন হামলার প্রিক্যুয়েল হিসবে এই হামলা করেছে, খবর নিউয়র্ক টাইমসের।   (সূত্র: প্রথম আলো)



হতে পারে আবার হামলা, আরো বড়সড় কোন সাইবার আক্রমণ!!!!!! 


আর ঠিক তাই কোন রকম ঝুঁকি না নিয়ে আজই আপনার কম্পিউটারকে হতে যাওয়া যে কোন ধরণের সাইবার আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য পদক্ষেপ নিন। 


কিভাবে আপনার কম্পিউটারকে সুরক্ষিত করবেন??


১) প্রথমত হামলায় ক্ষতিগ্রস্থ অধিকাংশ কম্পিউটারই Windows 7 অপারেটিং সিস্টেমের।
    তো? আপনি কি উইন্ডোজ বদলে ফেলবেন?
না। আপনি Windows 7 এর লেটেস্ট সিকিউরিটি আপডেট ইন্সটল করে নিন।
কারণ হামলার স্বীকার সব কম্পিউটারই পুরনো Windows ব্যবহার করছিল। Microsoft ও তাদের বিবৃতিতে ব্যবহারকারীদের Windows আপডেট করে নিতে বলেছে।
২)  কোন ধরণের অপরিচিত ঠিকানা থেকে আসা যে কোন ইমেইল ওপেন না করা। এমনকি পরিচিত কোন ইমেইল থেকেও যদি কোন সন্দেহজনক মেইল আসে তবে তা না খোলা।
কোন ধরনের সন্দেহজনক ফাইল ডাউনলোড না করা। সন্দেহজনক কোন ওয়েবসাইটেও না যাওয়া।
৩) Windows এর সিস্টেমে চেঞ্জ করে। এটার দুটো পদ্ধতি রয়েছে। আমি দুটোই দেখিয়ে দিচ্ছি:


পদ্ধতি (i) Windows Firewall এর সেটিংস চেঞ্জ করে:

১) Control Panel এ যান। Start Menu তে গিয়ে যেতে পারেন।


২) System and Security তে গিয়ে Windows Firewall এ যান।

৩) Turn Windows Firewall On or Off এ যান।

৪) নিচের চিত্রের মত কনফিগার করুন।

৫) এখন Advance Settings এ গিয়ে Inbound Rules এ যান এবং তারপর New Rule এ ক্লিক করুন।


৬) Port সিলেক্ট করে Next ক্লিক করুন।

৭) TCP সিলেক্ট করুন এবং Specific Local Ports এ গিয়ে 445 দিয়ে Next ক্লিক করুন।

৮) Block The Connection এ টিক দিয়ে Next ক্লিক করুন।

৯) Domain, Private এবং Public তিনটিতেই টিক দিয়ে Next এ ক্লিক করুন।

১০) Name এর ঘরে 445 দিয়ে Finis এ ক্লিক করুন।

   445 সেভ হয়েছে দেখতে পাবেন।

১১) আবার একই ভাবে Inbound Rules এ গিয়ে New Rule এ যান এবং তারপর Port এ ক্লিক করে Next ক্লিক করুন। এবার এখান থেকে UDP সিলেক্ট করে Specific local ports এর ঘরে 445 দিন। এরপর Next এ ক্লিক করুন।


১২) Domain, Private এবং Public তিনটিতেই টিক দিয়ে Next এ ক্লিক করুন।

১৩) Name এর ঘরে 445 udp দিয়ে Finis এ ক্লিক করুন।

আপনার সেটিংস কমপ্লিট। এখন আপনার কম্পিউটার Ransomware এর আক্রমণের সম্ভাবনা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত।


পদ্ধতি (ii) Windows এর Feature চেঞ্জ করে:

১) Control Panel এ যান। Start মেনু থেকে যেতে পারেন।

২) Programs এ ক্লিক করুন।

৩) Turn Windows Feature On or Off এ ক্লিক করুন।

৪) ফিচার লিষ্ট থেকে SMB 1.0/CIFS File Sharing support অপশনটির টিক উঠিয়ে সেভ করে পিসি রিষ্টার্ট করুন।

   এখন আপনার পিসি Ransomware থেকে সুরক্ষিত।


যে কোন একটি পদ্ধতি অনুসরন করুন। দুই পদ্ধতি একসাথে মেশাবেন না।

৪) Anti-Ransomware সফটওয়্যারের মাধ্যমে:

সাধারন Anti-Virus গুলো Ransomware এর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সুরক্ষা দিতে পারে না, তাই আমাদের আলাদা Anti-Ransomware সফটওয়্যারের দরকার হয়।
Anti-Ransomware সফটওয়্যার গুলো আপনাকে যে কোন ধরনের Ransomware এর আক্রমণ থেকে বাঁচাবে। এবং কোনভাবে আপনার পিসি আক্রমণের শিকার যদি হয়েই যায় তবে এই সফটওয়্যারগুলো ফাইল Encrypt হতে দেবে না এবং Ransomware রিমোভ করে দিবে।

আর Anti-Ransomware সফটওয়্যার ব্যবহার করলে Windows এর কোন ধরনের সেটিংস পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে না, মানে কোন ঝামেলা নেই।


অনেক অনেক Anti-Ransomware সফটওয়্যার পাবেন নেটে। কিন্তু সবগুলো ভালো নয় আবার অনেক এই ধরণের সফটওয়্যার মুখোশের আড়ালে নিজেই Ransomware. তাই আপনাকে খুব সতর্ক থাকতে হবে।

আমার মতে আপনি IOBit এর Malware Fighter 5 এর Pro ভার্সন ব্যবহার করতে পারেন। এটি একটি Malware Fighter কিন্তু সেই সাথে এটি একটি দুর্দান্ত Anti-Ransomware । এর ফ্রি ভার্সনও আছে কিন্তু সেটাতে পুরোপুরি সুরক্ষা পাবেন না। আমি নিজে Malware Fighter 5 এর Pro ভার্সন ইউস করি, এবং বিশ্বাস করুন এটাই সেরা। 
পিসিতে Ransomware আক্রমণ করতে আসলে এটি আপনাকে ওয়ার্নিং দিবে এবং আপনি অনুমতি দিলে ডিলেট করে দিবে, অনুমতি না দিলে Ransomware টিকে Block করে রাখবে এবং যে কোন ধরণের Access থেকে বিরত রাখবে।
Malware Fighter 5 এর প্রো ভার্সন এক্টিভেশন কী দিয়েছি পোস্টের শেষে, কী দিয়ে আপনি ফ্রীতে প্রো ভার্সন এক্টিভ করে নিতে পারবেন। সো নো চিন্তা.........।



IOBit Malware Fighter 5 ডাউনলোড করে নিন IOBit এর অফিসিয়াল সাইট থেকে ফ্রীতে।

IOBit Malware Fighter 5 এর এক্টিভেশন কী: 38691-1AA05-4AE43-A0074

        

          সতর্ক থাকুন, আপনার সচেতনতাই সবচেয়ে বড় প্রতিরোধের ব্যবস্থা।