শতাব্দীর সেরা মিথ্যা: চন্দ্রাভিযান(সত্য জানুন)

১৬জুলাই ১৯৬৯, মানবসভ্যতার ইতিহাসে নতুন দ্বার উন্মোচিত হল। রূপকথার চাঁদের বুড়ির চাঁদকে জয় করল মানুষ। চাঁদের বুকে এঁকে দিলো মানবসভ্যতার...

Very Recent Posts

মঙ্গলবার, ২০ জুন, ২০১৭

ডিলেট হয়ে যাওয়া যে কোন ছবি, ভিডিও বা মূভি এবং ডকুমেন্ট রিকভার করুন সবচেয়ে সহজ পদ্ধতিতে, এক বছর আগে ডিলেট হয়ে যাওয়া ফাইলও রিকভার করতে পারবেন পরিপূর্ণভাবে (Windows এবং Mac এর জন্য)

ডিলেট হয়ে যাওয়া যে কোন ছবি, ভিডিও বা মূভি এবং ডকুমেন্ট রিকভার করুন সবচেয়ে সহজ পদ্ধতিতে, এক বছর আগে ডিলেট হয়ে যাওয়া ফাইলও রিকভার করতে পারবেন পরিপূর্ণভাবে (Windows এবং Mac এর জন্য)

পিসিতে  আমরা গুরুত্বপূর্ণ অনেক ফাইল এবং ফোল্ডার রাখি। এর মধ্যে আছে ছবি, মূভি বাঃ ভিডিও এবং কোন গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট। অনেক সময় ভুল করে আমরা অথবা অন্য কেউ না জেনে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রয়োজনীয় ফাইল পার্মানেন্টলি ডিলেট করে ফেলে। গুরুত্বপূর্ণ বাঃ দরকারি কোন ফাইল ডিলেট হয়ে গেলে স্বাভিবিকভাবেই আমরা খুবই সমস্যার মুখোমুখি হই। কোন ব্যাকাপ না থাকায় ফাইল আমরা ফিরিয়েও আনতে পারি না। 

আমাদের আজকের বিষয় হচ্ছে কিভাবে পার্মানেন্টলি ডিলেট হয়ে যাওয়া কোন ফাইল (ছবি, ভিডিও, মূভি, ইমেইল বা ডকুমেন্ট) রিকভার করব বাঃ ফিরিয়ে আনব। BackUp না দেওয়া থাকলে অপারেটিং সিস্টেম কোন ফাইল রিকভার করতে পারে না।

তো আপনি কিভাবে ফাইল রিকভার করবেন বাঃ ফিরিয়ে আনবেন?

যে কোন ধরণের ডাটা রিকভার করার জন্য আমরা Third Party Software ব্যবহার করব। Third Party Software কোন সফটওয়্যার এর নাম নয়। কোন প্রতিষ্ঠানের তৈরী সফটওয়্যার যা আমাদের পিসির ম্যানুফ্যাকচারের সাথে সম্পর্কিত নয় এবং অপারেটিং সিস্টেমের সাথেও সম্পর্কিত নয় সেই সফটওয়্যার কেই থার্ড পার্টি সফটওয়্যার বলে।
ফাইল রিকভারি করার বিশ্বসেরা দুইটি সফটওয়্যার হল Recuva আর EaseUs Data Recovery Wizard।সফটওয়্যার দুটোরই প্রো ভার্সন আর ফ্রী ভার্সন রয়েছে। প্রো ভার্সন টাকা দিয়ে কিনে নিতে হয় আর ফ্রী ভার্সন ত ফ্রী ই। আপনি দুইটা সফটওয়ারের যে কোন একটা ইউস করবেন।
ডাউনলোড করে নিন Recuva অফিসিয়াল সাইট থেকে। অথবা,
ডাউনলোড করে নিন EaseUs Data Recovery Wizard অফিসিয়াল সাইট থেকে।

ডাউনলোড করার পরে ইনস্টল করে নিবেন। এরপর কিভাবে ফাইল রিকভার করবেন তা দেখার জন্য ভিডিওটা দেখুন:




চ্যানেল নতুন ক্রিয়েট করেছি। সামনে প্রযুক্তি বিষয়ক নানা ভিডিও আপলোড করব। সাবস্ক্রাইব করে সাথে থাকতে ভুলবেন না। আর কি বিষয় নিয়ে ভিডিও করা যায় অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন।

বৃহস্পতিবার, ১৮ মে, ২০১৭

Ransomware ; বিশ্বজুড়ে বিভীষিকা, বেঁচে থাকুন Ransomware থেকে। র‍্যানসমওয়্যার কেন রানসমওয়্যারের বাপও পারবে না আপনার পিসিতে আক্রমণ করতে।

Ransomware ; বিশ্বজুড়ে বিভীষিকা, বেঁচে থাকুন Ransomware থেকে। র‍্যানসমওয়্যার কেন রানসমওয়্যারের বাপও পারবে না আপনার পিসিতে আক্রমণ করতে।


১৯/০৫/২০১৭, শুক্রবার

ইন্টারনেটের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় Ransomware হামলা হল বিশ্বের ৭৪টি দেশে। সোমবারের মধ্যে তা ছড়িয়ে পড়ে ৯৯টি দেশে। Encrypt করে দেয় ২,৫০,০০০ এরও বেশি কম্পিউটারের তথ্য। এর মধ্যে অনেক বড় বড় হাসপাতাল, রেলওয়ে স্টেশন, বিদ্যুৎ অফিস, গ্যাস স্টেশন, বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটারও রয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০টি দেশের ৩,৫০,০০০ এরও বেশি কম্পিউটার আক্রান্ত হয়েছে এই WannaCry/ WCry/ WannaCrypt/ Wanna Decryptor/ WannaCrypt0r 2.0 নামের এই রানসমওয়্যার দ্বারা। বেশিরভাগ Microsoft Windows Operating System এর ব্যবহারকারীরা এই Ransomware দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন।
Ransomware হচ্ছে এক ধরণের ম্যালওয়্যার। এ ধরণের ম্যালওয়্যারগুলো আক্রমণের পর কোন ক্ষতি না করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে Ransom বা মুক্তিপন দাবি করে। এই ধরণের ম্যালওয়্যার মূলত কম্পিউটারকে আক্রমণ করে সকল তথ্য সিজ করে ফেলে তথা কম্পিউটারের সকল তথ্য নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় এবং ব্যবহারকারীকে তার তথ্যসমূহ ব্যবহার বা তথ্যসমূহের প্রতি যে কোন রকম প্রবেশ থেকে বাধা দেয়।
 WannaCry রানসমওয়্যারটি কম্পিউটারের ডাটা Encrypt করে ফেলে এবং কম্পিউটারের ডাটা এবং তথ্য ফিরে পেতে ইউজারের কাছ থেকে ৩০০ডলার দাবি করে।



এই টাকা দেওয়ার জন্য তারা ৩দিনের(আক্রমণের সময় হতে) সময় বেধে দেয়। এই সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ না করলে পরবর্তিতে দ্বিগুণ টাকা দাবি করে। এবং সর্বশেষ টাকা পরিশোধের জন্য আক্রমণের সময় হতে সাত দিনের সময় বেঁধে দেয়। এর মধ্যেও টাকা না দেওয়া হলে সকল ডাটা নষ্ট করে দেওয়ার হুমকি দেয়।

নিউইয়র্ক টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, বৈশ্বিক এই সাইবার আক্রমণ নিয়ে এখন পর্যন্ত বেশ কিছু তথ্য জানিয়েছেন বিশ্লেষকেরা:
১. এখন পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের হাসপাতাল, স্পেনের কয়েকটি কোম্পানি, অন্য ১১টি দেশের পক্ষ থেকে আক্রমণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
২. ক্যাসপারস্কির তথ্য অনুযায়ী, ৭৪টি দেশে ৪৫ হাজার আক্রমণ চালানো হয়েছে। এর মধ্যে ফেডেক্স, এনএইচএস, রাশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রয়েছে।
৩. মাইক্রোসফট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের ত্রুটি কাজে লাগানো হয়েছে। গত এপ্রিলে শ্যাডো ব্রোকার্স নামের একদল হ্যাকারের বের করা নিরাপত্তা ত্রুটি ও প্রোগ্রাম কাজে লাগিয়ে এই আক্রমণ চালানো হয়েছে।
৪. যুক্তরাজ্যের ১৬টি হাসপাতাল আক্রমণের শিকার হয়েছে। চিকিৎসকেরা রোগীদের ফাইল দেখতে পারছেন না। অবশ্য প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে বলেছেন, কোনো রোগীর তথ্য চুরির প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
৫. ডক ফাইল থেকে শুরু করে মিডিয়া ফাইল, এক্সএল ফাইলসহ দরকারি সব ধরনের ফাইল আটকে রাখতে সক্ষম এটি।
৬. এ আক্রমণের দায় স্বীকার করেনি কেউ।
৭. Elliptic এর সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী $82,644.72(৬৬,৬০,৭৬০ টাকা) ডলার দেওয়া হয়েছে এই আক্রমণকারীদেরকে (Elliptic একটি বিককয়েন ফার্ম যা এই ঘটনাটি নজরদারি করছে)।

বাংলাদেশে অন্তত কয়েকশ' কম্পিউটার এই ম্যালওয়্যার দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে যদিও মাত্র ৩০টি কমপিউটার আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে!!

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে যেহেতু এই ম্যালওয়্যারে জটিল কোন কোড ব্যবহার করা হয়নি (কোডটাকে আরো জটিল করা যেত) তাই সামনে আরো বড় ধরণের সাইবার হামলা অপেক্ষা করছে, হামলাকারিরা সম্ভবত বড় ধরণের কোন হামলার প্রিক্যুয়েল হিসবে এই হামলা করেছে, খবর নিউয়র্ক টাইমসের।   (সূত্র: প্রথম আলো)



হতে পারে আবার হামলা, আরো বড়সড় কোন সাইবার আক্রমণ!!!!!! 


আর ঠিক তাই কোন রকম ঝুঁকি না নিয়ে আজই আপনার কম্পিউটারকে হতে যাওয়া যে কোন ধরণের সাইবার আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য পদক্ষেপ নিন। 


কিভাবে আপনার কম্পিউটারকে সুরক্ষিত করবেন??


১) প্রথমত হামলায় ক্ষতিগ্রস্থ অধিকাংশ কম্পিউটারই Windows 7 অপারেটিং সিস্টেমের।
    তো? আপনি কি উইন্ডোজ বদলে ফেলবেন?
না। আপনি Windows 7 এর লেটেস্ট সিকিউরিটি আপডেট ইন্সটল করে নিন।
কারণ হামলার স্বীকার সব কম্পিউটারই পুরনো Windows ব্যবহার করছিল। Microsoft ও তাদের বিবৃতিতে ব্যবহারকারীদের Windows আপডেট করে নিতে বলেছে।
২)  কোন ধরণের অপরিচিত ঠিকানা থেকে আসা যে কোন ইমেইল ওপেন না করা। এমনকি পরিচিত কোন ইমেইল থেকেও যদি কোন সন্দেহজনক মেইল আসে তবে তা না খোলা।
কোন ধরনের সন্দেহজনক ফাইল ডাউনলোড না করা। সন্দেহজনক কোন ওয়েবসাইটেও না যাওয়া।
৩) Windows এর সিস্টেমে চেঞ্জ করে। এটার দুটো পদ্ধতি রয়েছে। আমি দুটোই দেখিয়ে দিচ্ছি:


পদ্ধতি (i) Windows Firewall এর সেটিংস চেঞ্জ করে:

১) Control Panel এ যান। Start Menu তে গিয়ে যেতে পারেন।


২) System and Security তে গিয়ে Windows Firewall এ যান।

৩) Turn Windows Firewall On or Off এ যান।

৪) নিচের চিত্রের মত কনফিগার করুন।

৫) এখন Advance Settings এ গিয়ে Inbound Rules এ যান এবং তারপর New Rule এ ক্লিক করুন।


৬) Port সিলেক্ট করে Next ক্লিক করুন।

৭) TCP সিলেক্ট করুন এবং Specific Local Ports এ গিয়ে 445 দিয়ে Next ক্লিক করুন।

৮) Block The Connection এ টিক দিয়ে Next ক্লিক করুন।

৯) Domain, Private এবং Public তিনটিতেই টিক দিয়ে Next এ ক্লিক করুন।

১০) Name এর ঘরে 445 দিয়ে Finis এ ক্লিক করুন।

   445 সেভ হয়েছে দেখতে পাবেন।

১১) আবার একই ভাবে Inbound Rules এ গিয়ে New Rule এ যান এবং তারপর Port এ ক্লিক করে Next ক্লিক করুন। এবার এখান থেকে UDP সিলেক্ট করে Specific local ports এর ঘরে 445 দিন। এরপর Next এ ক্লিক করুন।


১২) Domain, Private এবং Public তিনটিতেই টিক দিয়ে Next এ ক্লিক করুন।

১৩) Name এর ঘরে 445 udp দিয়ে Finis এ ক্লিক করুন।

আপনার সেটিংস কমপ্লিট। এখন আপনার কম্পিউটার Ransomware এর আক্রমণের সম্ভাবনা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত।


পদ্ধতি (ii) Windows এর Feature চেঞ্জ করে:

১) Control Panel এ যান। Start মেনু থেকে যেতে পারেন।

২) Programs এ ক্লিক করুন।

৩) Turn Windows Feature On or Off এ ক্লিক করুন।

৪) ফিচার লিষ্ট থেকে SMB 1.0/CIFS File Sharing support অপশনটির টিক উঠিয়ে সেভ করে পিসি রিষ্টার্ট করুন।

   এখন আপনার পিসি Ransomware থেকে সুরক্ষিত।


যে কোন একটি পদ্ধতি অনুসরন করুন। দুই পদ্ধতি একসাথে মেশাবেন না।

৪) Anti-Ransomware সফটওয়্যারের মাধ্যমে:

সাধারন Anti-Virus গুলো Ransomware এর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সুরক্ষা দিতে পারে না, তাই আমাদের আলাদা Anti-Ransomware সফটওয়্যারের দরকার হয়।
Anti-Ransomware সফটওয়্যার গুলো আপনাকে যে কোন ধরনের Ransomware এর আক্রমণ থেকে বাঁচাবে। এবং কোনভাবে আপনার পিসি আক্রমণের শিকার যদি হয়েই যায় তবে এই সফটওয়্যারগুলো ফাইল Encrypt হতে দেবে না এবং Ransomware রিমোভ করে দিবে।

আর Anti-Ransomware সফটওয়্যার ব্যবহার করলে Windows এর কোন ধরনের সেটিংস পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে না, মানে কোন ঝামেলা নেই।


অনেক অনেক Anti-Ransomware সফটওয়্যার পাবেন নেটে। কিন্তু সবগুলো ভালো নয় আবার অনেক এই ধরণের সফটওয়্যার মুখোশের আড়ালে নিজেই Ransomware. তাই আপনাকে খুব সতর্ক থাকতে হবে।

আমার মতে আপনি IOBit এর Malware Fighter 5 এর Pro ভার্সন ব্যবহার করতে পারেন। এটি একটি Malware Fighter কিন্তু সেই সাথে এটি একটি দুর্দান্ত Anti-Ransomware । এর ফ্রি ভার্সনও আছে কিন্তু সেটাতে পুরোপুরি সুরক্ষা পাবেন না। আমি নিজে Malware Fighter 5 এর Pro ভার্সন ইউস করি, এবং বিশ্বাস করুন এটাই সেরা। 
পিসিতে Ransomware আক্রমণ করতে আসলে এটি আপনাকে ওয়ার্নিং দিবে এবং আপনি অনুমতি দিলে ডিলেট করে দিবে, অনুমতি না দিলে Ransomware টিকে Block করে রাখবে এবং যে কোন ধরণের Access থেকে বিরত রাখবে।
Malware Fighter 5 এর প্রো ভার্সন এক্টিভেশন কী দিয়েছি পোস্টের শেষে, কী দিয়ে আপনি ফ্রীতে প্রো ভার্সন এক্টিভ করে নিতে পারবেন। সো নো চিন্তা.........।



IOBit Malware Fighter 5 ডাউনলোড করে নিন IOBit এর অফিসিয়াল সাইট থেকে ফ্রীতে।

IOBit Malware Fighter 5 এর এক্টিভেশন কী: 38691-1AA05-4AE43-A0074

        

          সতর্ক থাকুন, আপনার সচেতনতাই সবচেয়ে বড় প্রতিরোধের ব্যবস্থা। 


বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ, ২০১৭

ব্লগার বিশেষজ্ঞ হয়ে যান, ব্লগার টিউটোরিয়াল: আদ্যোপান্ত (পর্ব-১; ব্লগের ইতিহাস এবং ব্লগার শুরু)

ব্লগার বিশেষজ্ঞ হয়ে যান, ব্লগার টিউটোরিয়াল: আদ্যোপান্ত (পর্ব-১; ব্লগের ইতিহাস এবং ব্লগার শুরু)

Blogger বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ফ্রী ব্লগিং প্লাটফর্ম। টেক জায়ান্ট Google এর একটি সেবা হল Blogger। ফ্রী অনলাইন ব্লগ তৈরির জন্য Blogger সবচেয়ে সহজ এবং জনপ্রিয় মাধ্যম। Google এর নিজস্ব সার্ভার ব্যবহারের মাধ্যমে Blogger এর সকল ব্লগ চালিত হয়। ব্লগারে তৈরি সকল ফ্রী ব্লগ .blogspot.com সাবডোমেইনে প্রকাশিত হয়।
Blogger সম্পর্কে জানার আগে আমরা Blog এবং Blogging এর ইতিহাস সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নিই।

ব্লগ(Blog) কি?


Blog(ব্লগ) একটি ইংরেজি শব্দ। এর উৎপত্তি আরেক ইংরেজি শব্দ Log থেকে। Log বলতে বোঝায় সময়োনুযায়ী কাজের নোট রাখা সহজ ভাষায় ডায়েরী লেখা। আমাদের মধ্যে অনেকেই ডায়েরি লিখি। সেখানে আমরা আমাদের দৈনন্দিন কাজের কথা লিখি, আমাদের মনের কথা লিখি, আমাদের ইচ্ছাগুলো লিখি, কল্পনাগুলো লিখি আর যা ইচ্ছে লিখে রাখি। Web(ইন্টারনেটে) এ Log লিখলে সাধারণভাবেই তাকে বলা হবে Weblog(ওয়েবলগ)। এই Weblog শব্দ থেকেই Blog(ব্লগ) এর উৎপত্তি। ব্লগিং শুরুর প্রথমদিকে Weblog শব্দটিই প্রচলিত ছিল। ১৯৯৯ সালে Peter Merholz নামে এক প্রোগ্রামার Weblog কথাটিকে ছোট করে Blog করেন। Blog শব্দটি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠে যার ফলে লেখালেখির এই সম্পূর্ণ নতুন ধারার নাম হয়ে যায় Blogging । সাধারণভাবে ব্লগিং বলতে বোঝায় কোন একটি বিষয় বা কোন একটি ঘটনা নিয়ে ইন্টারনেট ভিত্তিক কোন ওয়েবপেজ এ বা ইন্টারনেটে লিখে তা সবার সাথে শেয়ার করা। যেসব ওয়েবসাইটে এই লেখাগুলো প্রকাশ করা হয় তাদের বলা হয় ব্লগ।


স্যার টিম বার্নাস লি HTML এর মাধ্যমে URL ভিত্তিক ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের ধারনা প্রকাশের করে  ওয়েব সাইট বানানো সাধারণ মানুষের নাগালে নিয়ে আসেন। ১৯৯৪ সালে সেই সময়কার Swarthmore College এর ছাত্র Justin Hall তৈরি করেন links.net নামে একটি সাইট যেখানে তিনি ব্যাক্তিগত Log লিখতে থাকেন। The New York Times Magazine এর মতে Justin Hall ব্যাক্তিগত ব্লগিং এর জনক(Founding Father Of Personal Blogging) । ১৯৯৪ সালেই Open Diary নামে আরেকটি ব্লগ চালু করেন Claudio Pinharez ।

 এসব কারণেই ১৯৯৪ সালকে ব্লগিং এর শুরুর সাল হিসেবে গণ্য করা হয়। ১৯৯৯ সালটি হল ব্লগিং এর স্বর্ণালি বছর। এ বছর চালু হয় Blogger, LiveJournal এবং Xanga এর মত ব্লগিং সাইট।
প্রথমদিকের Blogger
LiveJournal


Xanga

Xanga কে ব্লগিং সাইট বলা হলেও এটি মূলত চালু হয় Social Networking সাইট হিসেবে, ২০০০ সালে Xanga ব্লগিং ফিচার এড করে। ২০০১ সাল পর্যন্ত ব্লগিং খুব বেশি জনপ্রিয় না হতে পারলেও ২০০২ এর পর ব্লগিংকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। Gawker, TheMommyBlog.com এর মত কয়েকটি ব্লগ চালু হয় ২০০২ এ, কিন্তু ২০০২ ব্লগিং এর জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকার কারণ হল Google কর্তৃক ব্লগে বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য AdSense চালু করা। AdSense চালুর ফলে হাজার হাজার ব্লগার তাদের ব্লগ থেকে আয়ের পথ খুঁজে পায়।

 AdSense এর কারণেই ব্লগিং শুধু একটা শখ হয়ে থাকেনি হয়ে উঠেছে সতন্ত্র একটি পেশা। বর্তমানে ব্লগ লিখে অনেকেই হাজার হাজার টাকা আয় করছেন AdSense এর মাধ্যমেই। প্রফেশনাল ব্লগারদের প্রথম পছন্দ WordPress চালু হয় ২০০৩ সালে। এছাড়া TypePad নামে আরেকটি ব্লগও চালু হয় এবছর।
প্রথমদিকের WordPress
TypePad
২০০৪-২০০৫ হল VideoBlog বা Vlog এর সূচনার সময়। যদিও ২০০০ সালেই VideoBlog এর ধারনা প্রকাশিত হয় কিন্তু মূলত ২০০৪ এই Video Blogging শুরু হয়। Steve Garfield(প্রথমদিকের ভ্লগারদের একজন) ২০০৪ কে " Year Of The Video Blog" বা "ভিডিও ব্লগিং এর বছর" হিসেবে ঘোষণা করেন। ২০০৫ এ বিশ্বের সেরা এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় Video Sharing এর সাইট YouTube চালু হয়। YouTube ভিডিও শেয়ারিং এর সাইট হলেও শুরুতে কিন্তু YouTube কোন Video Sharing সাইট ছিল না। YouTube তার যাত্রা শুরু করে একটি Fating Site হিসেবে যেখানে সিঙ্গেলরা নিজের সম্পর্কে রোমান্টিক তথ্যসহ ভিডিও আপলোড করে একে অপরের সাথে পরিচিত হত (২০০৫ এর ফেব্রুয়ারীতে YouTube যাত্রা শুরু করে Dating Site হিসেবে পরবর্তিতে ২০০৫ এর জুনে YouTube শুধু ভিডিও শেয়ারিং এর সাইত হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে)।
প্রথমদিকে YouTube
ব্লগ লেখার ধারাবাহিকতায় ২০০৬-২০০৭ এ শুরু হয় MicroBlogging এর সাইটগুলোর। ২০০৬ এর মার্চে ১৪০ অক্ষরের MicroBlogging এর সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইট Twitter এর যাত্রা শুরু হয়। ২০০৭ এ MicroBlogging এর আরেক সাইট Tumblr চালু হয়।

 ২০১২ তে Blogger এর তৈরীকারক Pyra Labs এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা Evan Williams ব্লগিং এর সম্পূর্ণ নতুন একটা প্লাটফর্ম তৈরী করেন যার নাম দেওয়া হয় Medium । এই মিডিয়াম এখন ব্লগিং দুনিয়ায় নতুন চমক সৃষ্টি করেছে।



Blogger(ব্লগার) কি?


ব্লগার(Blogger) হল ব্লগিং করার একটি প্লাটফর্ম। ব্লগারের জন্ম ১৯৯৯ সালের ২৩শে আগস্ট ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরির কোম্পানি Payra Labs এর হাত ধরে। পরবর্তীতে টেক জায়ান্ট Google ২০০৪ সালের ২রা মে তারিখে ব্লগার কিনে নেয় এবং নিজেরা এর Development শুরু করে। Blogger নামটা কিনে নেওয়ার পর Google দেয়। ব্লগার এ তৈরি সকল ব্লগের হোস্টিং হয় গুগলের নিজস্ব সার্ভারে .blogspot.com সাবডোমেইন এ।


ব্লগার কেন?



ব্লগার সম্পূর্ণ ফ্রী একটি সেবা। ব্লগার ব্যবহার করার জন্য কোন খরচ নেই, কোন ফি নেই। ব্যবহার করা খুব সহজ। WordPress অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি Blogging প্লাটফর্ম কিন্তু ব্যবহার করা অনেকটাই কঠিন। ব্লগিং শুরুর সময় WordPress দিয়ে শুরু করলে অনেক কিছুই Newbie হিসেবে বোঝা যায় না এবং ব্যবহারও ঠিকমত করা সম্ভব হয়ে উঠে না। সে হিসেবে Blogger ব্যবহার করা খুবই সোজা। যে কেউ Blogger বুঝতে পারবে এবং ব্যবহার করতে পারবে। তাছাড়া Blogger সরাসরি Google এর প্রদত্ত সেবা, ইন্টারনেট দুনিয়ায় Google এর প্রতিদ্বন্দ্বী বলতে কিছুই নেই...। এছাড়াও,

*আপনি আপনার ব্লগার একাউন্ট দিয়ে ভিন্ন ভিন্ন নামে একাধিক ব্লগ তৈরি করতে পারবেন। একটি ব্লগার একাউন্ট থে সর্বোচ্চ ১০০টি ব্লগ তৈরি করতে পারবেন।
*একটি ব্লগে আপনি আনলিমিটেড পোস্ট করতে পারবেন। ব্লগার কোন পোস্ট ডিলেট বা এডিট করবে না এবং কোন পোস্টের দায় নিবে না, পোস্ট ডিলিট, এডিট এবং পোস্টের দায় আপনার।
*কোন পোস্টে আনলিমিটেড কমেন্ট হতে পারে। কমেন্টের ক্ষেত্রেও ডিলিট, এডিট এবং দায় আপনার।
*পোস্টের সাইজ যত ইচ্ছা তত হতে পারে। পোস্টের সাইজের ব্যাপারেও কোন নিয়ম নেই।
*আপনি চাইলে আপনার ব্লগে আনলিমিটেড অতিথি লেখক যুক্ত করতে পারেন। তাদের সবাই ব্লগে লিখতে পারবে।
*ব্লগ লিখে আয়ের সেরা মাধ্যম হল AdSense, যার মালিক Google আবার Blogger এর মালিকও Google যার ফলে অল্প কিছু ভিজিটর ও সামান্য পোস্ট থাকলেও ব্লগার থেকে এডসেন্সে এপ্লাই করা যায় এবং এপ্রুভও পাওয়া যায়। যার ফলে ব্লগার থেকে ভাল টাকা আয় করা সম্ভব।

এতশত সুবিধা থাকতে ব্লগার ছেড়ে আর কি ইউস করবেন?????


Blogger এ ব্লগ তৈরি:

Blogger ব্যবহার করে ব্লগ তৈরি করতে চাইলে প্রথমেই প্রয়োজন জিমেইল একাউন্টের। Gmail একাউন্ট না থাকলে করে নিন। Gmail থাকলে বা করে নেবার পর এখানে ক্লিক করুন। ক্লিক করার পর আপনি নিচের মত পেজ দেখতে পাবেন। 'আপনার ব্লগ তৈরি করুন' অথবা 'সাইন ইন করুন' এর উপর ক্লিক করুন।


আপনাকে সাইন ইন করতে বলা হবে। জিমেইল একাউন্ট দিয়ে সাইন ইন করুন।



সাইন ইন করার পর আপনার প্রোফাইল নিশ্চিত করতে বলবে ভাষা ও অন্যান্য সেটিংস ঠিক করার পর 'ব্লগার এ অবিরত রাখুন' এর উপর ক্লিক করুন।


নতুন ব্লগার থিমগুল ব্যবহার করে দেখার কথা বলবে 'হয়ত পরে' এর উপর ক্লিক করুন।


আপনার ব্লগার ড্যাসবোর্ডে পৌছে যাবেন। নতুন একটি ব্লগ তৈরির জন্য 'নতুন ব্লগ তৈরি করুন' এর উপর ক্লিক করুন।



ব্লগ তৈরির জন্য একটি ফর্ম আসবে।
*শিরোনাম ঘরে আপনার ব্লগের জন্য পছন্দমত একটা নাম দিন।
*ঠিকানা ঘরে ব্লগের জন্য উপলভ্য একটি ঠিকানা দিন(এটিই হবে আপনার ব্লগের URL এড্রেস)। তারপর ইচ্ছামত থিম সিলেক্ট করে 'ব্লগ তৈরি করুন' এর উপর ক্লিক করুন।

আপনার ব্লগ তৈরি হয়ে যাবে। 'ব্লগ দেখুন' এ গিয়ে আপনি আপনার ব্লগ দেখতে পারবেন।

ব্লগের নাম এবং ঠিকানাসহ ব্লগ দেখতে পাবেন।



আজ এ পর্যন্তই। আগামী পর্বে ব্লগারের ড্যাসবোর্ডের বিভিন্ন টুলসের কার্যকারিতা ও ব্যবহার এবং ব্লগে পোস্ট করার নিয়মাবলি নিয়ে হাজির হব ইনশাল্লাহ।

সোমবার, ২০ মার্চ, ২০১৭

49.95$ মূল্যের বিশ্বের সেরা ভিডিও কনভার্টার নিয়ে নিন, এক্টিভেশন কি এবং লাইসেন্স সহ আর কনভার্ট করুন যে কোন ভিডিও যে কোন ফরম্যাটে, সেই সাথে ভিডিও ডাউনলোড করুন Youtube, Facebook সহ যে কোন ওয়েবসাইট থেকে(Full Version; Windows, Mac)

49.95$ মূল্যের বিশ্বের সেরা ভিডিও কনভার্টার নিয়ে নিন, এক্টিভেশন কি এবং লাইসেন্স সহ আর কনভার্ট করুন যে কোন ভিডিও যে কোন ফরম্যাটে, সেই সাথে ভিডিও ডাউনলোড করুন Youtube, Facebook সহ যে কোন ওয়েবসাইট থেকে(Full Version; Windows, Mac)

 হাজার রকম ভিডিও ফরম্যাট রয়েছে। অনেক সময় পিসিতে ইন্সটল করা প্লেয়ার কোন একটি ফরম্যাট সাপোর্ট না করার কারণে আমরা ভিডিও দেখতে পারি না। সেক্ষেত্রে আমরা নতুন করে কোন প্লেয়ার ইন্সটল করি কিংবা ভিডিও কনভার্টার সফটওয়্যার দিয়ে ভিডিওয়ের ফরম্যাট চেঞ্জ করে নিই। আবার অনেক সময় পিসিতে সাপোর্টেড ভিডিও মোবাইলে সাপোর্ট করে না সেক্ষেত্রেও আমাদের ভিডিও ফরম্যাট চেঞ্জ করার প্রয়োজন হয়। সেই সাথে অনেক সময় আমাদের ফেসবুক বা ইউটিউব বা কোন লাইভ স্ট্রিমিং সাইট থেকে ভিডিও ডাউনলোদের প্রয়োজন হয়।

 আজকে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেব বিশ্বের সেরা ভিডিও কনভার্টারের সাথে। Any Video Converter Ultimate, ইন্টারনেটে যার মূল্য ২০% ডিস্কাউন্টের সাথে ৪৯.৯৫ ডলার। কিন্তু আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি সম্পূর্ণ ফ্রীতে।
Any Video Converter Ultimate হল Anvsoft Inc. কর্তৃক প্রকাশিত একটি ভিডিও কনভার্টার। যাতে কোন একটি ফরম্যাটের ভিডিওকে অন্য কোন ফরম্যাটের ভিডিও বা অডিওতে এবং কোন ফরম্যাটের অডিওকে অন্য ফরম্যাটের অডিওতে রূপান্তর করা যায়। সেই সাথে ইউটিউব, ফেসবুক বা যে কোন লাইভ স্ট্রিমিং সাইট থেকে ভিডিও ডাউনলোড করা যায় খুব সহজেই। Top Ten Reviews এর মতে AVC Ultimate তৃতীয় সেরা ভিডিও কনভার্টার, কিন্তু ব্যবহারের সহজযোগ্যাতার দিক দিয়ে শুধুমাত্র AVC Ultimate ই ১০০ তে ১০০ পেয়েছে। CNET, PCWorld এবং lifehacker এর রিভিউয়েও AVC সেরা ভিডিও কনভার্টার। আমার মতে AVC ই সেরা, তাছাড়া ব্যবহারও খুবই সহজ।
Top Ten Reviews এ ব্রোঞ্জ জয়ী Any Video Converter Ultimate
Any Video Converter Ultimate এর সাহায্যে প্রায় সকল রকম ফরম্যাটে ভিডিও কনভার্ট করা সম্ভব। ভিডিওয়ের প্রায় সকল ফরম্যাট AVC Ultimate সাপোর্ট করে।
সাপোর্টেড ভিডিও ফরম্যাটগুলো হলঃ
.3g2
3GPP2, for CDMA-based phones.
.3gp
3GPP, for GSM-based phones.
.3gpp
3GPP, for GSM-based phones.
.3gp2
3GPP2, for CDMA-based phones.
.amv
Anime Music Video, A modified version of AVI, produced for mp4 players and S1 MP3 players with video playback.
.asf
Advanced Streaming Format or Active Streaming Format, it is Microsoft's proprietary digital audio/digital video container format.
.avi
Audio Video Interleave, known by its acronym AVI, is a multimedia container format introduced by Microsoft in November 1992 as part of its Video for Windows technology.
.avs
AviSynth Script, the script language deals primarily with videos as a primitive data type.
.dat
Digital Audio Tape, a signal recording and playback medium developed by Sony in the mid 1980s.
.divx
Digital Video Express, a brand name of products created by DivXNetworks, Inc.
.dv
Digital Video, a digital video format created by Sony, JVC, Panasonic and other video camera producers and launched in 1995.
.dvr-ms
Microsoft Digital Video Recording, Microsoft Windows XP Media Center Edition and the Windows Vista version of Windows Media Center create files in this format. Also .ms-dvr.
.f4v
Flash Video, The F4V format is based on the format specified by ISO/IEC 14496-12: ISO base media file format.
.flv
Flash Video, An FLV file encodes synchronized audio and video streams. The audio and video data within FLV files are encoded in the same way as audio and video within SWF files.
.m1v
MPEG-1 Video elemantary stream, no audio.
.m2p
MPEG-2 Video
.m2t
MPEG transport stream. High-definition video on a DV cassette tape, originally developed by JVC and supported by Sony, Canon and Sharp.
.m2ts
High definition video file type, AVCHD video file type. M2ts files are raw AVCHD videos recorded using Sony, Panasonic, Canon and other brands of AVCHD camcorders.
.m2v
MPEG-2 Packetized Elementary Stream, normally destined to be multiplexed before use, mostly no audio.
.m4v
Raw MPEG-4 Visual bitstreams, commonly used in Apple's iPod, iPhone, iTunes store and Xbox 360.
.mkv
Matroska video file with subtitles and audio.
.mod
Tapeless video formats (Standard Definition) used by JVC, Panasonic and Canon in some models of digital camcorders.
.mov
QuickTime multimedia file format.
.mp4
MPEG-4 files with audio and video.
.mpe
Video encoded in MPEG format, a commonly compression applied to digital video files.
.mpeg
MPEG-1 or MPEG-2 Video
.mpeg1
MPEG-1 Video
.mpeg2
MPEG-2 Video
.mpeg4
MPEG-4 Video
.mpg
MPEG-1 or MPEG-2 Video, in NTSC or PAL format for different TV systems.
.mpv
MPEG-1 or MPEG-2 video elemantary stream, most mpv files have no audio.
.mts
Please refer to .m2ts.
.mxf
MXF is a file format for the exchange of programme material between servers, tape streamers and to digital archives.
.nsv
Nullsoft stream video files.
.ogg
Ogg Media file. Ogg could be video files or audio files since it's a container.
.ogm
Ogg Media file. It can do a few things the common AVI format cannot. No longer supported or developed and is formally discouraged by Xiph.org.
.ogv
Ggg media file. Formally specified and officially supported by Xiph.org.
.qt
QuickTime multimedia file format.
.rm
RealMedia, a multimedia container format created by RealNetworks.
.rmvb
RealMedia Variable Bitrate, a variable bitrate extension of the RealMedia multimedia container format developed by RealNetworks.
.rv
RealMedia videos.
.tod
Tapeless video formats (High Definition) used by JVC, Panasonic and Canon in some models of digital camcorders.
.trp
MPEG Transport Stream, similar to .ts.
.tp
MPEG Transport Stream, similar to .ts.
.ts
MPEG Transport Stream, a communications protocol for audio, video, and data, a type of digital container format, widely used in HDTV.
.vob
Video Object, a container format contained in DVD-Video media.
.vro
DVD-VR recorded movie.
.wmv
Windows Media Video, a compressed video file format for several proprietary codecs developed by Microsoft.
.webm
WebM is an audio-video format designed to provide a royalty-free, open video compression format for use with HTML5 video. The project's development is sponsored by Google.
আর অডিও ফরম্যাটের সব রকম ফরম্যাটই সাপোর্ট করে AVC Ultimate. 
লিঙ্কে ক্লিক করার পর আপনি AVC এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে পৌছে যাবেন। সেখানে Try It Free অপশনে ক্লিক করে ডাউনলোড করে নিন AVC Ultimate.
ডাউনলোড হয়ে গেলে ইন্সটল করে নিন AVC Ultimate. 
Install করার পরে AVC Ultimate Launch করুন। Full Screen Interface এমন দেখাবে,
এখন আমরা AVC Ultimate Full Version এ আপগ্রেড করব। ডান দিকের উপরে চাবি আইকনে ক্লিক করুন।
একটি ফ্লোটেড উইন্ডো আসবে যেখানে রেজিস্ট্রেশনের জন্য নাম আর কোড চাবে।
Name বক্সে AVTPZR এবং Code বক্সে 000JJ6-YZMV6U-0765KU-BQFJP3-1TTN1M-8A2KMA-70JN6V দিয়ে OK ক্লিক করুন। ইন্টারনেট কানেক্টেড থাকা অবস্থায় কাজটা করতে হবে। OK ক্লিক করার পর আপনার AVC Ultimate রেজিস্টার্ড হয়ে যাবে। এখন আপনি ফুল ভার্সন ইউস করতে পারবেন আজীবন।
Video Conversion: ভিডিও কনভার্ট করার জন্য Add Or Drag Files এর উপর বা Add Video(s) er ক্লিক করে ভিডিও সিলেক্ট করে Add করে নিন অথবা Drag করে নিয়ে আসুন।
ভিডিও এড হয়ে গেলে ডানে উপরে Drop Down Menu তে ক্লিক করে ভিডিও কনভার্ট করার পর যে ফরম্যাট পেতে চান সে ফরম্যাট সিলেক্ট করে নিন।


 আপনি Output Folder সিলেক্ট করে দিতে পারেন। ভিডিও কনভার্ট হয়ে সে ফোল্ডারে সেভ হবে।
আপনি চাইলে ভিডিও ক্রপ করতে পারেন, ইফেক্টস যোগ করতে পারেন, ভিডিও রেজুলেশন সিলেক্ট করে দিতে পারেন, Video Options এবং Audio Options থেকে আরো এডিটিং এবং চেঞ্জ করতে পারেন। সব এডিটিং শেষ করার পর ভিডিও কনভার্ট করার জন্য উপরে ডানে Convert Now এ ক্লিক করুন। ভিডিও কনভার্টিং শুরু হয়ে যাবে।
ভিডিও কনভার্ট হয়ে গেলে Output Folder এ গিয়ে কনভার্টেড ভিডিও দেখতে পাবেন।
Youtube/Facebook Video Download: Add URL(s) এ ক্লিক করুন। ফ্লোটেড উইন্ডো এ + চিহ্ন এ ক্লিক করলে URL দেওয়ার বক্স দেখাবে।
যে ভিডিও ডাউনলোড করতে চান তার URL কপি করে এনে পেস্ট করে দিন। Start Download এ ক্লিক করলেই ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে। 

কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ। কোন প্রশ্ন থাকলে বা কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করবেন। আমি জানানোর চেষ্টা করব।